নজরবন্দি ব্যুরোঃ পুরভোটে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি এবং রাজ্যের সমস্ত পুরভোটের গণনা একসঙ্গে করানোর দাবীতে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়। বুধবার প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষী ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে চলে মামলার শুনানি। বৃহস্পতিবার সেই মামলার রায় ঘোষণা করল আদালত। আদালতের তরফে বলা হয়েছে, বিধাননগর পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে সিদ্ধান্ত কমিশনের।
আরও পড়ুনঃ পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন? অনলাইনে রায় দেবে কলকাতা হাইকোর্ট
এছাড়াও আদালতের তরফে আরও জানানো হয়েছে, শান্তিপূর্ণ ভোট করা কমিশনের দায়িত্ব। আইনশৃংখলা খতিয়ে দেখে কমিশনকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনী যদি মোতায়েন করতে হয় তার জন্য মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব এবং ডিজিপির সঙ্গে কমিশনকে বৈঠক করার নির্দেশ দিল আদালত।
একইসঙ্গে চার পুরনিগমের নির্বাচনের ফলাফলের সঙ্গে বাকি ১০৮ টি পুর এলাকার ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে কিনা সেবিষয়েও কমিশনকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে জানাতে হবে সেই সিদ্ধান্ত। এমনকি পুরভোটে পোলিং এজেন্ট নিয়েও কমিশনের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করতে চাইছে না আদালত। অর্থাৎ নিজেদের ওয়ার্ডের পরিধি থেকেই বেছে নেওয়া হবে পোলিং এজেন্ট।
উল্লেখ্য, রাজ্যের চার পুর নিগমে আসানসোল, বিধাননগর, চন্দননগর এবং শিলিগুড়ি এলাকার নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি। ফলাফল ঘোষণা ১৪ তারিখ। অন্যদিকে ২৭ তারিখ রয়েছে রাজ্যের ১০৮ টি এলাকার পুর নির্বাচন। সমস্ত নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা একদিনে করানোর দাবীতে প্রস্তাব দিয়েছিল বিরোধীরা। এছাড়াও পুরভোটের কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়েও চলে সওয়াল পর্ব।
বিধাননগর পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে সিদ্ধান্ত কমিশনের, ভোটের গণনা নিয়ে সিদ্ধান্ত কমিশনের

এদিন আদালতের সামনে কমিশনের আইনজীবী বলেন, বিধাননগরে ভোটের জন্য সিনিয়র আইপিএস অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। পুলিশ খুব কড়াভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সক্ষম। ২০১৬ সালের পরিস্থিতি এখন আর নেই। ইতিমধ্যেই পুলিশ রুটমার্চ করতে শুরু করেছে। প্রতিটি বুথে সশস্ত্র পুলিশ থাকবে। কমিশনের দায়িত্ব শান্তিপূর্ণ ভোট করানো। আইনশৃঙ্খলার অবনতি হলে দায় নেবে কমিশন।



