নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত কয়েক বছর ঘরে করোনার অতিমারিতে স্কুল-কলেজ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়, ফলে পঠনপাঠন চলত অনলাইনে। ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে স্কুল-কলেজ খুললেও এখন স্বাভাবিক হয়নি পরিস্থিতি। অনলাইনে পঠনপাঠনের সুবিধার কথা ভেবেই দ্বাদশ শ্রেনীর ছাত্রছাত্রীদের ১০,০০০ টাকা করে দেওয়ার কথা ঘষোণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যেয়। তবে এবার তা পাবেন না দ্বাদশ শ্রেনীর ছাত্রছাত্রীরা। কিন্তু কারণ কি? কেন এই সিদ্ধান্ত?
আরও পড়ুনঃ বিধাননগরে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী? সিদ্ধান্ত নিতে লাগবে সময়, আদালতকে জানাল কমিশন


রাজ্য সরকার দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের মোবাইল ফোন কেনার জন্য ১০,০০০ টাকা দিচ্ছে। কিন্তু বেশকিছু কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (ভিটিসি) অনীহায় এই সুবিধা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হতে চলেছে বহু ছাত্র-ছাত্রীরা। কারণ অনেকগুলি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাত্র-ছাত্রীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর-সহ সমস্ত তথ্য পাঠাচ্ছে না এখন। সূত্রের খবর, ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যে ২৪৯ টি ভিটিসিকে তথ্য না পাঠালে শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হবেন।
চাহিদা অনুযায়ী যোগান না মেলায় রাজ্য সরকার উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল এবং মাদ্রাসায় পড়ুয়াদের ট্যাবের পরিবর্তে টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। রাজ্য মন্ত্রীসভার বৈঠকের পর যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যেয়। তিনি ঘষোণা করেন, রাজ্যে ১৪ হাজার উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল এবং ৬৩৬টি মাদ্রাসায় বর্তমানে যে মোট সাড়ে নয় লক্ষ ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে তাঁদের অনলাইনে পড়াশোনার সুবিধার জন্য প্রথমে প্রত্যেককে একটি করে ট্যাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
১০ হাজার টাকা আর পাচ্ছে না দ্বাদশ শ্রেনীর ছাত্রছাত্রীরা, হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত?

কিন্তু দরপত্র ডেকে দেড় লক্ষের বেশি ট্যাব না মেলায় তাঁদের ব্যাংক একাউন্টে এককালীন দশ হাজার টাকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রাজ্য সরকার। কারণ ওই টাকায় দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীরা ট্যাব বা বড় স্মার্ট ফোন কিনে নিতে পারবে। এই টাকা প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীদের ব্যাংক একাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এজন্য মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটিও গঠন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।









