নজরবন্দি ব্যুরোঃ কয়লা কাণ্ডে গতকাল রাজ্যের ১০ পুলিশ আধিকারিককে তলব করেছিল সিআইডি। গতকাল থেকেই ধাপে ধাপে ভবানী ভবনে ডেকে পাঠানো হয়েছে রাজ্য পুলিশের এই আধিকারিকদের। এদিকে আজ কয়লাপাচার কাণ্ডের তদন্তে পুলিশের আরও তিন আধিকারিকদের তলব করল সিআইডি। শনিবার রাজ্য পুলিশের তিন আধিকারিককে ডেকে পাঠানো হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।
আরও পড়ুনঃ আমরা এই প্রতিষ্ঠানের ভাড়াটিয়া নই আমরা সহযোগী, বিস্ফোরক মন্তব্য মনীশের


ইতিমধ্যেই এই মামলায় হরিয়ানার এক ব্যবসায়ী-সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করেছে সিআইডি। সূত্রের খবর, তাঁদের জেরা করেই রাজ্য পুলিশের একাধিক আধিকারিকের নাম পেয়েছে সিআইডি। কয়লা পাচার কাণ্ডে এই পুলিশ আধিকারিকদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে চায় সিআইডি। সেই কারণেই রাজ্য পুলিশের মোট অফিসারকে ডেকে পাঠানো হয়েছে ভবানী ভবনে।

আজ যাদের ডাকা হয়েছে তাঁরা হলেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মাথাভাঙার সিআই অজয় কুমার মণ্ডল (অতীতে বারাবণি থানার এবং রানিগঞ্জ থানার ওসি ছিলেন তিনি), বরাকরের আইসি রাজশেখর মুখোপাধ্যায় (আগে অন্ডাল থানা ওসি ছিলেন) এবং রঘুনাথগঞ্জের আইসি পার্থ ঘোষ (তিনি আগে অন্ডাল থানার ওসি ছিলেন)।



সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত আসানসোলের বিভিন্ন জায়গা থেকে কয়লা পাচারের অভিযোগ ওঠে। কোটি-কোটি টাকার এই পাচার প্রসঙ্গে ওই পুলিশ আধিকারিদের বক্তব্য জানতে চায় সিআইডি। কয়লা পাচার নিয়ে থানায় কোনও অভিযোগ এর আগে করা হয়েছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আজ থেকে ধাপে ধাপে রাজ্য পুলিশের এই অফিসারদের ডেকে পাঠানো হয়েছে রাজ্য পুলিশের সদর দফতর ভবানী ভবনে।
কয়লাকাণ্ডের তদন্তে আরও সক্রিয় CID, তলব রাজ্য পুলিশের তিন অফিসারকে

উল্লেখ্য, এরাজ্যে কয়লা পাচায় নিয়ে তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি। ইডির পাশাপাশি কয়লা পাচারকাণ্ডে আলাদা করে তদন্ত করছে রাজ্য পুলিশের সিআইডি-ও। শুধু এই তদন্তই নয়, গরু পাচার মামলারও তদন্ত করছে সিআইডি। জানা গিয়েছে, গরু পাচার মামলায় তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছে। সূত্রের খবর, চলতি সপ্তাহেই মুর্শিদাবাদে হানা দিয়ে গরু পাচার মামলার তদন্তে একাধিক তথ্য সংগ্রহ করেছেন সিআইডির আধিকারিকরা।







