Mamata Banerjee: যার লেখা বই থেকেই বাংলার এই সন্মান, সেই তপতী গুহঠাকুরতাকে যোগ্য সম্মান জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: কলকাতার দুর্গাপুজো যে ইউনেস্কোর হেরিটেজ তকমা পেয়েছে, তা নিয়ে দড়ি টানাটানির মধ্যেই সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট ভাইরাল হয়ে যায়। সেই পোস্টে দাবি করা হয়, কলকাতার দুর্গাপুজোর স্বীকৃতির পিছনে আসলে কলকাতার সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোশাল সায়েন্সেসের অধিকর্তা তপতী গুহ ঠাকুরতার হাত আছে। পুরো কৃতিত্বই তাঁর বলে দাবি করতে থাকেন নেটিজেনদের একাংশ।

আরও পড়ুন: ইউনেস্কোর স্বীকৃতি উদযাপনের আগে রাজ্যবাসীকে বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

আর এবার রেড রোডের অনুষ্ঠানে মূল মঞ্চেই তপতী গুহ ঠাকুরতাকে যোগ্য সম্মান জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকেও মূল মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী ধন্যবাদ জানান। তবে বিরোধীদের দাবি ছিল, এই সম্মানে রাজ্য সরকারের কোনও কৃতিত্বই নেই। যা কৃতিত্ব তা ইতিহাসবিদ তথা কলকাতার সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোশ্যাল সায়েন্সেসের প্রাক্তন অধিকর্তা তপতী গুহঠাকুরতার।

 যার লেখা বই থেকেই বাংলার এই সন্মান, সেই তপতী গুহঠাকুরতাকে যোগ্য সম্মান জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
যার লেখা বই থেকেই বাংলার এই সন্মান, সেই তপতী গুহঠাকুরতাকে যোগ্য সম্মান জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

এই তথ্যকে সামনে রেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হন নেটিজেনদের একাংশও। এমনও অভিযোগ ওঠে, বৃহস্পতিবারের অনুষ্ঠানে তপতীদেবীকে না ডেকে অসম্মান করা হল। কিন্তু দেখা গেল, এদিন রেড রোডের অনুষ্ঠানমঞ্চে উজ্জ্বল উপস্থিতি তপতীদেবীর। প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে প্রফেসর তপতী গুহ ঠাকুরতা একটা বই প্রকাশ করেন, যার নাম “In the Name of the Goddess: The Durga Pujas of Contemporary Kolkata”। বইটি সম্পূর্ণ গবেষণাভিত্তিক একটা কাজ।

যার লেখা বই থেকেই বাংলার এই সন্মান, সেই তপতী গুহ ঠাকুরতাকে যোগ্য সম্মান জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
যার লেখা বই থেকেই বাংলার এই সন্মান, সেই তপতী গুহ ঠাকুরতাকে যোগ্য সম্মান জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

তার পর ২০১৮ সালে ইউনেস্কোর হেরিটেজ তকমা পাওয়ার লড়াই শুরু করেন তপতীদেবী। ডসিয়ার তৈরি করে কেন্দ্রের সংস্কৃতি মন্ত্রকের কাছে পাঠানো এবং পরে তা ইউনেস্কোর মনোনয়নের জন্য যায়। ২০২১ সালে শেষপর্যন্ত তপতীদেবীর লড়াই সার্থক হয়, এবং কলকাতার দুর্গাপুজো ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ সম্মান পায়। যাঁর কৃতিত্ব তাঁকে অবমাননা করেননি মুখ্যমন্ত্রী

যার লেখা বই থেকেই বাংলার এই সন্মান, সেই তপতী গুহ ঠাকুরতাকে যোগ্য সম্মান জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

22

এদিন সংবাদমাধ্যমকেও তপতী গুহঠাকুরতা বলেন, “আমার ইউনেস্কোর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ছিল না। ভারত সরকারের মিনিস্ট্রি অব কালচার আমাকে বলেছিল এটা করতে। তাদের হয়ে আমরা কাজটা করেছিলাম। বাংলার হয়েও কাজটা করেছিলাম। কাজটা ছিল কলকাতার দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কোর ইনট্যানজিবল কালচারাল লিস্টে স্থান দেওয়া। সার্ভে আমি বহু বছর ধরে করেছি, আমার নিজের কাজের জন্য। তবে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৯ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত আমাদের সময় নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল।”

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত