সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তভার সিবিআই-এর হাতে হস্তান্তরের নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টের মধ্যেই ধৃত শাহজাহান শেখকে কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ারও নির্দেশ। গত ৫ জানুয়ারি ইডির আধিকারিকদের উপর হামলার ঘটনায় বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠনের জন্য একক বেঞ্চ যে নির্দেশ দিয়েছিল তা কার্যত খারিজ হয়ে গেল ডিভিশন বেঞ্চে।
আরও পড়ুন: ডায়মন্ডে অভিষেক বনাম অভিজিৎ, কিছু কথা, কিছু ইঙ্গিত, কিছু প্রশ্ন!
Latest News

বঙ্গ দখলের পরেই ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের, কী সিদ্ধান্ত নিল মোদীর মন্ত্রীসভা?

জেসিবি নিয়ে মিছিলে কড়া নিষেধ, মালিকদের বিরুদ্ধেও অ্যাকশন: হুঁশিয়ারি সিপি অজয় নন্দের
বিগত ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতিকাণ্ডের তদন্তে সন্দেশখালি গিয়ে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের অনুগামীদের হাতে আক্রান্ত হতে হয় ইডি আধিকারিক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের। সেই ঘটনায় কলকাতা হাই কোর্টে দায়ের হয় একটি মামলা। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের সিঙ্গেল বেঞ্চের রায় ছিল সিট গঠন করে ইডি হামলার তদন্ত করা উচিত। কিন্তু তাতে আপত্তি ছিল ইডির। পাল্টা ডিভিশন বেঞ্চে দায়ের হয় এজেন্সি।

মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, ইডি হামলার তদন্তভার নেবে সিবিআই। ফলে সিঙ্গেল বেঞ্চের রায় খারিজ হয়ে গেল। পাশাপাশি, ন্যাজাট এবং বনগাঁ থানায় যে তিনটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে সেই মামলাগুলিও রাজ্য পুলিশের হাত থেকে সরিয়ে এজেন্সির হাতে তুলে দিল ডিভিশন বেঞ্চ।

সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তে CBI, এবার বিপদে শেখ শাহজাহান?
বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরেই সন্দেশখালিকাণ্ডে উত্তপ্ত রাজ্য-রাজনীতি। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় অভিযুক্ত তিন তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান, উত্তম সর্দার এবং শিবু হাজরাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে, শেখ শাহজাহান প্রায় ৫৬ দিন গা ঢাকা দেওয়ার পর মিনাখাঁ থেকে গ্রেফতার হয়েছেন। এই কাণ্ডে রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ বেশ তীব্র। তাই এবার তদন্তভার গেল এজেন্সির হাতে। তাহলে কি আগামী দিনে আরও বিপাকে পড়তে চলেছেন সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা? প্রশ্নটা উঠছে।








