অর্থের বিনিময়ে ‘অযোগ্য’ চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হেন কোনও পন্থা নেই যা অবলম্বন করা হয়নি! প্রাথমিকে নিয়োগ মামলায় সিবিআই চার্জশিটে এবার যে তথ্য প্রকাশ্যে এল তা রীতিমতো পিলে চমকে দেবার মতোই। আগেই জানা গিয়েছিল, ওএমআর শিটে ‘কারচুপি’ করা হয়। এবার জানা গেল, দুর্নীতি চলেছিল ওএমআরের ডেটাবেস নিয়েও! একই রোল নম্বরে একাধিক রেজিস্ট্রেশনের জন্য সংশিষ্ট পোর্টালের অ্যালগরিদমে বদল এনে ‘বঞ্চিত’ করা হয় ‘যোগ্য’ চাকরিপ্রার্থীদের।
আরও পড়ুন: বীরভূমে বিজেপির বাড়বাড়ন্ত, পাল্টা মামাকে ব্লক সভাপতির দায়িত্বে এনে চমক অভিষেকের


প্রাথমিক নিয়োগ মামলার তদন্তে চার্জশিট পেশ করল সিবিআই। সেখানে এজেন্সির দাবি, যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের আড়াল করতে বেশ গভীর ষড়যন্ত্র করা হয়। প্রথমত, যাঁরা টেট পাশ করেছিলেন তাঁদের জন্য একটি বিশেষ পোর্টাল তৈরি করে পর্ষদ। সেই পোর্টালে নাম রেজিস্ট্রেশনের নির্দেশ দেওয়া হয়। রেজিস্ট্রেশনের পরেই ইন্টারভিউয়ের ডাক পেতেন পাশ করা চাকরিপ্রার্থীরা। কিন্তু সেই পোর্টালের অ্যালগরিদমে বদল এনে অযোগ্যদের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি সিবিআই-এর।

আরও জানা গিয়েছে, কোনও রকম বৈধ চুক্তিপত্র ছাড়াই ‘রানটাইম প্রাইভেট সলিউশন’-কে পোর্টাল বানানোর দায়িত্ব দেয় ওএমআর শিট প্রস্তুতকারী সংস্থা এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানি। উল্লেখ্য, এর আগে এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানির কর্তা কৌশিক মাজি গ্রেফতার হন সিবিআই-এর হাতে। অন্য সংস্থাকে পোর্টাল বানানোর দায়িত্ব দেওয়া হলেও চাকরিপ্রার্থীদের রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত নথি দেখার সুযোগ পেতেন কৌশিক মাজি এবং তিনিই তা নিয়ন্ত্রণ করতেন।



টেটে একই রোল নম্বরে একাধিক রেজিস্ট্রেশন, পোর্টালের অ্যালগরিদম কোডে বদল! CBI চার্জশিটে চাঞ্চল্যকর তথ্য

চার্জশিটে সিবিআই জানিয়েছে, একই রোল নম্বরে একাধিক রেজিস্ট্রেশন করতেন কৌশিক। পোর্টালের অ্যালগরিদম কোডে বদল এনে যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের রোল নম্বরের সাহায্যে অযোগ্য প্রার্থীদের ইন্টারভিউতে ডাকার ব্যবস্থা করা হত। এই মুহূর্তে কেন এক রোল নম্বরে কেন একাধিক রেজিস্ট্রেশন করানো হয়েছিল তা খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। পর্ষদের আধিকারিকদের ভূমিকা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।







