মঙ্গলবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলা ওঠে। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় cbi হলফনামা জমা দেয়। কীভাবে এই দুর্নীতি হয়েছে রিপোর্টে সেই তথ্য উঠে এসেছে। দুর্নীতি প্রক্রিয়া সম্পর্কে যাতে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। আদালতে ইডি জানিয়েছে, লিপস এন্ড বাউন্ডসের মত কিছু সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন : বাম জমানার নিয়োগ পেলেন ৩২৮ জন, শেষ হল আন্দোলন
এরপরেই বিচারপতি প্রশ্ন করেন,’চিহ্নিত করার পরেও এত দেরি কেন? এমন ভাবে চলছে যেখানে সকলে বেড়িয়ে আসবে। কাউকে পাবেন না। আপনারা কি ভেবেছিলেন সব মসৃণ হবে?’ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী এদিন আদালতে বলেন,’আমরা আরও সম্পত্তির হদিশ পেয়েছি। ভয়েস স্যাম্পেল করা হচ্ছে। আমরা মামলায় ফেঁসে যাচ্ছি। এর জন্যই দেরি হচ্ছে। পরের শুনানিতে রিপোর্ট দেওয়া হবে। বোর্ড জানিয়েছিল ৯৪ জনকে নেওয়া হয়েছিল প্যানেলের বাইরে থেকে।

বোর্ডের অনুমতি ছাড়া কে কত নম্বর পেয়েছে তা বলা যাবে কিনা এখনই মন্তব্য করা সম্ভব নয়। ৯৪ জনের চাকরি বাতিল করলেও সেখানে নতুন করে কাউকে নিয়োগ সম্ভব নয়। কারণ প্যানেল আগেই হয়ে গিয়েছে। পরে ওই প্যানেল অনুযায়ী কিছু করা যায় না।’ বিচার প্রক্রিয়ায় দেরি হওয়ায় বারংবার CBI ও ইডিকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। এই প্রসঙ্গে CBI এর আইনজীবী বলেন, ‘প্রদোষ মিত্র সোনার কেল্লায় বার বার কেল্লায় ঢুকতে বাধা পায়। দেরি হলেও দোষীরা গ্রেফতার হয়।’

CBI হয়ে গেল ‘ফেলুদা’, আর দুর্নীতি হয়ে গেল ‘ সোনার কেল্লা’
এই প্রসঙ্গে পাল্টা বিচারপতি অমৃতা সিনহা বলেন, ‘আশা করা যায় একদিন গন্তব্যে পৌঁছে যাবে একদিন।’এই মামলার পরবর্তী শুনানি হতে চলেছে ১২ই মার্চ। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই এই মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। বর্তমানে তিনি জেলে আছেন। পাশাপাশি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।



