নজরবন্দি ব্যুরো: ঋতুকালীন রক্তের দাগ দেখে সঙ্গমের চিহ্ন ভেবে নাবালিকাকে পিটিয়ে মারল দাদা। অভিযোগের আঙুল উঠেছে ওই ব্যক্তির স্ত্রীর দিকেও। এমনই এক ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে মহারাষ্ট্রে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ন্যাক্কারজনক ঘটনা জানাজানি হতেই নিন্দার ঝড় উঠেছে।
আরও পড়ুন: Weather Update: তীব্র গরমে পুড়ছে বাংলা! বঙ্গের একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি
সূত্রে খবর, মহারাষ্ট্রের উল্লাসনগরের বাসিন্দা অভিযুক্ত দম্পতি। ওই ব্যক্তির ১২ বছরের নাবালিকা বোন তাঁদের সঙ্গেই থাকত। তাঁদের বাবা-মা অন্যত্র থাকতেন। কয়েকদিন আগে বোনের জামায় রক্তের দাগ দেখেন অভিযুক্ত দাদা। সন্দেহ হয় যে তাঁর বোন কারও সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়েছে এবং সঙ্গমের ফলে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। সন্দেহের বশেই বোনের উপর অকথ্য নির্যাতন করে অভিযুক্ত। টানা তিনদিন নাবালিকার উপর মারধর চলে।

টানা তিনদিন ধরে বন্ধ ঘরে পাশবিক নির্যাতন সহ্য করতে হয় নাবালিকাকে। এরপর সে জ্ঞান হারালে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। সূত্রে খবর, ১২ বছর বয়সে প্রথমবার ঋতুমতী হয়েছিল নাবালিকা। সেই রক্তের দাগ তার পোশাকে লেগে গিয়েছিল কিন্তু সঙ্গমের সন্দেহ করেছিল অভিযুক্ত দাদা।

ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থেকে জানা যায় নাবালিকার শরীরের একাধিক অংশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। এই ঘটনায় নাবালিকার বৌদির বিরুদ্ধে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। খুনের ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত চলছে।
ঋতুকালীন রক্তের দাগ দেখে সঙ্গমের অভিযোগ! নাবালিকাকে খুনের অভিযোগ দাদার বিরুদ্ধে




