নজরবন্দি ব্যুরোঃ লোকসভা ভোটের আগে কিন্তু ইন্ডিয়া জোটে কোনওরকম ফাটল যাতে ধরা না পড়ে তা যেন নিশ্চিত করতে চাইল কংগ্রেস, তৃণমূল এবং সিপিআইএম। প্রশ্ন-ঘুষ কাণ্ড তথা মহুয়া মৈত্র বিতর্কে আগাগোড়া কৃষ্ণনগরের সাংসদের পাশে থাকল কংগ্রেস। এমনকী মহুয়াকে সংসদ থেকে বহিষ্কারের পর এককালের যুযুধান প্রতিপক্ষ সিপিআইএম এই দিনটিকে কালো দিন হিসেবে বর্ননা করল! লোকসভা ভোটের আগে মহুয়া বহিষ্কারের ঘটনা এই ঘটনা কার্যত একযোট করে দিল বিরোধী শক্তিকে।
আরও পড়ুনঃ বিজেপির প্রতিহিংসার শিকার মহুয়া, সর্বোতভাবে পাশে থাকার বার্তা মমতার


মহুয়াকাণ্ড ‘ইন্ডিয়া’র শরিকদের আরও এক জোট করে তুলেছে বলে এদিন জানান মমতা। কার্শিয়াং থেকে তিনি বলেন, ‘‘আমি ‘ইন্ডিয়া’কে অভিনন্দন জানাতে চাই। আমরা একজোট আছি। ‘ইন্ডিয়া’র সঙ্গে মিলেই দল মহুয়ার হয়ে লড়বে। আমরা সকলে বিজেপি সরকারের নীতির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাব।’’

মমতা বলেন, ‘‘আমি ভেবেছিলাম প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি ভেবে দেখবেন। আর একটি অধিবেশন বাকি ছিল। কী এমন হল যে, তার আগেই এক জন মহিলা সাংসদকে লোকসভা থেকে তাড়িয়ে দিতে হল? বিজেপির লজ্জা করে না? এই ঘটনা আমাদের উজ্জীবিত করবে। মহুয়া এবং আমরা লড়াই করব।’’ মমতা বন্দোপাধ্যায় মহুয়ার দলনেত্রী তিনি পাশে থাকাটা স্বাভাবিক কিন্তু ইন্ডিয়া জোটে সিপিআইএম এবং কংগ্রেসের অবস্থানও স্পষ্ট হয়ে গেল আজ।


সংসদের কালো দিন আজ, মহুয়ার পাশে দাঁড়িয়ে বার্তা সিপিআইএমের।

সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তথা লোকসভার প্রাক্তন সাংসদ, সুজন চক্তবর্তী সংবাদ সংস্থা PTI কে বলেন, ‘It is a black day for the Parliament’। তার কথায়, আজ সংসদের কালো দিন, বিজেপির বড় মেজোরিটি থাকার কারনে যা ইচ্ছে তাই করছে।
এদিকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন মহুয়া, তিনি বলেছেন, ‘‘মোদী সরকার যদি ভেবে থাকে, আমাকে এভাবে চুপ করিয়ে আদানি ইস্যু থেকে তারা মুক্তি পাবে, তবে ভুল ভাবছে।’’ তিনি বলেন, ‘‘এ বার আমার কাছে সিবিআই আসবে। ছ’মাস আমাকে সিবিআই দিয়ে হেনস্থা করা হবে।’’







