নজরবন্দি ব্যুরো: ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’ বিতর্কে খারিজ হল মহুয়া মৈত্রর সাংসদ পদ। আর কৃষ্ণনগরের সাংসদের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গ থেকে মুখ খুললেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাঁর কথায়, “বিজেপির প্রতিহিংসার শিকার মহুয়া। একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নিল এরা। মহুয়াকে বলতেও দিল না।অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। ভারতীয় সংবিধানের জন্য এটা লজ্জার। ভোটে মহুয়াকে হারাতে পারে না বলেই বিজেপি এসব করছে।”
আরও পড়ুন: মোদী সরকারের নারীবিদ্বেষী মনোভাব, সাংসদ পদ খারিজের পর বিস্ফোরক মহুয়া


দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন বিতর্ক নিয়ে উত্তাল রাজনৈতিক মহল। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র তাঁর সাংসদ লগ-ইন পাসওয়ার্ড পরিচিত ব্যক্তিদের সাথে শেয়ার করেছেন এবং বিনিময়ে টাকা নিয়েছেন এরকমই অভিযোগ। যে ব্যক্তিকে মহুয়া পাসওয়ার্ড দিয়েছেন তিনি হলেন, হীরানন্দানী। এর আগেই লোকসভার এথিক্স কমিটি মহুয়া মৈত্রর সাংসদ পদ খারিজের প্রস্তাব আনে। শুক্রবার বিষয়টি নিয়ে লোকসভায় আলোচনা শুরু হয়। শেষমেশ ধ্বনিভোটে পাশ হয় প্রস্তাব।

VIDEO | "I am 49 years old, I will fight you for the next 30 years inside Parliament, outside Parliament," says TMC leader @MahuaMoitra after Lok Sabha expelled her from the House, adopting Ethics Committee recommendation in 'cash-for-query' matter.
Related NewsLIVE UPDATES: রাজ্যপালের উপস্থিতিতে ব্রিগেডে শপথ বাক্য পাঠ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।রেলের টিকিট বুকিংয়ে বড় বদল! অগস্ট থেকেই চালু নতুন স্মার্ট রিজার্ভেশন সিস্টেমEarlier, Opposition members… pic.twitter.com/xprZDxKIW2
— Press Trust of India (@PTI_News) December 8, 2023
মহুয়া মৈত্রকে বহিষ্কারের পর লোকসভায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন ‘ইন্ডিয়া’ জোটের নেতারা। তাঁরা সদন থেকে ওয়াক আউট করে গান্ধীমূর্তির সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। চাঁচাছোলা ভাষায় বিজেপিকে আক্রমণ করেন মহুয়া নিজে। তাঁর মতে, “একতরফাভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমি টাকা বা উপহার নিয়েছি তার কোনও প্রমাণ নেই। মোদী সরকারের নারীবিদ্বেষী মনোভাব। আগামী ৩০ বছর সংসদের ভিতরে বাইরে লড়াই করে যাব।”

বিজেপির প্রতিহিংসার শিকার মহুয়া, সর্বোতভাবে পাশে থাকার বার্তা মমতার

অন্যদিকে, এই মুহূর্তে উত্তরবঙ্গ সফরে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহুয়া বহিষ্কারের প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই মুখ খোলেন তিনি। মমতা সাফ জানান, তৃণমূল মহুয়ার পাশে আছে। সঙ্গে তিনি বলেন, “আমার চেয়ে সংসদের নিয়ম কেউ ভালো জানে না। মহুয়াকে কিচ্ছু বলতে দেয়নি। আধ ঘন্টায় কীভাবে ৮৯৫ পাতার রিপোর্ট পড়া যেতে পারে?”









