নজরবন্দি ব্যুরো: ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’ বিতর্কে শুক্রবার লোকসভায় খারিজ হয়ে গেল মহুয়া মৈত্রর সাংসদ পদ। আজ ৪৯৫ পাতার রিপোর্ট অনুযায়ী লোকসভায় আলোচনা হয় দিন ভর। এরপর ভোটাভুটি হলে ধ্বনিভোটে জয়ী হয় লোকসভার এথিক্স কমিটির রিপোর্ট। ফলে খারিজ হয়ে যায় মহুয়া মৈত্রর সাংসদ পদ। আর সাংসদ পদ খারিজের পর লোকসভার বাইরে এসে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন তিনি।
আরও পড়ুন: এথিক্স কমিটির সুপারিশকেই মান্যতা, সংসদ থেকে বহিষ্কৃত TMC সাংসদ মহুয়া মৈত্র


বহিষ্কারের পর মহুয়া মৈত্র বলেন, “আমাকে বলতে দেওয়া হয়নি। একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যাবতীয় নিয়ম কানুন ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল থেকে আমাকে হেনস্থা করা হবে। এটা মোদী সরকারের নারীবিদ্বেষী মনোভাবের পরিচয়।” সঙ্গে তিনি এও জানিয়েছেন, এর শেষ দেখে ছাড়ব। মহুয়া মৈত্রর পাশে দাঁড়িয়েছেন সনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, অধীর রঞ্জন চৌধুরী থেকে শুরু করে বিজেপি বিরোধী সাংসদের প্রত্যেকেই।
VIDEO | "I am 49 years old, I will fight you for the next 30 years inside Parliament, outside Parliament," says TMC leader @MahuaMoitra after Lok Sabha expelled her from the House, adopting Ethics Committee recommendation in 'cash-for-query' matter.
Earlier, Opposition members… pic.twitter.com/xprZDxKIW2
Related Newsপশ্চিমবঙ্গকে রেলের বিরাট উপহার! ৩ প্রকল্পে সবুজ সঙ্কেত, বাড়বে সংযোগ ও উন্নয়নNEET কাণ্ডে দায় স্বীকার কেন্দ্রের! বদলে যাচ্ছে পুরো পরীক্ষাপদ্ধতি, অনলাইনেই হবে পরীক্ষা— Press Trust of India (@PTI_News) December 8, 2023

মহুয়া মৈত্রকে বহিষ্কারের পর লোকসভায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন ‘ইন্ডিয়া’ জোটের নেতারা। তাঁরা সদন থেকে ওয়াক আউট করে গান্ধীমূর্তির সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। চাঁচাছোলা ভাষায় বিজেপিকে আক্রমণ করেন মহুয়া নিজে। তাঁর মতে, “একতরফাভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমি টাকা বা উপহার নিয়েছি তার কোনও প্রমাণ নেই। মোদী সরকারের নারীবিদ্বেষী মনোভাব। আগামী ৩০ বছর সংসদের ভিতরে বাইরে লড়াই করে যাব।”

মোদী সরকারের নারীবিদ্বেষী মনোভাব, সাংসদ পদ খারিজের পর বিস্ফোরক মহুয়া
![]()
অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গ থেকে মহুয়া মৈত্রর পাশে দাঁড়ানোর কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “বিজেপির প্রতিহিংসার শিকার মহুয়া। একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নিল এরা। মহুয়াকে বলতেও দিল না।অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। ভারতীয় সংবিধানের জন্য এটা লজ্জার। ভোটে মহুয়াকে হারাতে পারে না বলেই বিজেপি এসব করছে।”









