নজরবন্দি ব্যুরোঃ দল বিরোধী কাজের অভিযোগে বিজেপি থেকে বরখাস্ত রিতেশ ও জয়প্রকাশ। দল বিরোধী কাজের অভিযোগে গতকালই দুই নেতাকে শোকজ করেছিল রাজ্য বিজেপি। তাঁদেরকে উত্তর দেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল। সূত্রের খবর, উত্তর দিতে রাজি হননি দুই নেতা। সেকারণেই দুই নেতার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হল মুরলীধরন সেন লেনের নেতারা।
আরও পড়ুনঃ BJP: মতুয়াদের নিয়ে দিল্লিতে দরবার করবেন সুব্রত ঠাকুর, দিলেন হুঁশিয়ারি


রাজ্যের বিক্ষুব্ধ নেতাদের ঝোপে দুই নেতারা কাটা পড়লেও বাকি নেতাদের ক্ষোভ মেটাতে পদক্ষেপ নিচ্ছে রাজ্য বিজেপি। সূত্রের খবর, যে সমস্ত এলাকার নেতারা অনাস্থা দেখাচ্ছেন তাঁদের সাংগঠনিক সভাপতিদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন রাজ্য নেতৃত্ব। প্রথম শুরু ঝবে নবদ্বীপ এবং বনগাঁ থেকেই। শোনা যাচ্ছে মঙ্গলবার থেকেই ক্ষোভের আগুনে জল ঢালার কাজ শুরু করবেন বিজেপি নেতারা।
আলাদ করে মতুয়া নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবে বিজেপি নেতারা? সেবিষয়ে অবশ্য এখনও কিছুই জানা যায়নি। তবে দুটি কেন্দ্রই মতুয়া অধ্যুষিত এলাকা। তাই আগামী দিনে রাজ্য বিজেপির তরফে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সেদিকে নজর থাকবে।



উল্লেখ্য, রাজ্য কমিটি গঠন থেকে জেলা সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিজেপির অন্দরে ক্ষোভের উত্তাপ ক্রমশই বেড়ে চলেছিল। বিক্ষুব্ধ নেতাদের মধ্যে দুই উল্লেখযোগ্য নাম রিতেশ তিওয়ারি এবং জয়প্রকাশ মজুমদার। জেলায় বিপুল সংখ্যক সাংগঠনিক সভাপতি বদলের পরেই বিক্ষোভে একের পর এক বিধায়করা হোয়াটাসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়েন। মতুয়া সমাজের কাউকেই সাংগঠনিক পদে জায়গা না দেওয়ার ক্ষোভে বিজেপির সমস্ত গ্রুপ থেকে সরে দাঁড়ান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। গত সোমবারেই রাজ্য বিজেপির বিক্ষুব্ধ নেতাদের সঙ্গে বনগাঁয় পিকনিক করেন তিনি।
সেখানে উপস্থিত ছিলেন সায়ন্তন, জয়প্রকাশ এবং রিতেশ। এমনকি গত রবিবার পোর্ট ট্রাস্টের গেস্ট হাউজে মিটিংয়ের পর শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে বৈঠক সেরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতে দেখা যায় জয়প্রকাশ মজুমদারকে। তারপরেই এই পদক্ষেপ নেয় রাজ্য বিজেপি।
বিজেপি থেকে বরখাস্ত রিতেশ ও জয়প্রকাশ, দলবদলের বিপুল সম্ভাবনা

রবিবার শোকজের নোটিশ পাওয়ার পরেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দেখা করতে ঠাকুরনগরে উপস্থিত হন জয়প্রকাশ মজুমদার। সেখানে তাঁকে পাশে থাকার জন্য পূর্ণ আশ্বাস দিয়েছেন গত কয়েকদিন ধরে ‘বেসুরো’ থাকা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তারপরেই এই বিরাট সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি। তবে কী দলবদল করবেন দুই নেতারা? পূর্ণ সম্ভাবনা একেবারেই উড়িয়ে দিচ্ছে না রাজনৈতিক মহল।







