নজরবন্দি ব্যুরোঃ সভাধিপতি-সহ একঝাঁক সদস্যকে দলে নিয়ে মালদহ জেলা পরিষদ দখলে নিল বিজেপি। রাজ্যের উত্তর ও দক্ষিণের মাঝে দাঁড়িয়ে মালদহ জেলা। যে জেলা নদী ভাঙনের জন্য কুখ্যাত। প্রতিবছর কয়েক হাজার মানুষ ভিটেছাড়া হন নদী ভাঙনের জেরে। তবে বিধানসভা নির্বাচনের আগে অন্য ভাঙনের সাক্ষী থাকল মালদহ জেলা। এক ধাক্কায় তৃণমূল নেতৃত্বাধিন জেলা পরিষদ ভেঙে তাঁর দখল নিল জেলা বিজেপি।
আরও পড়ুনঃ তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন স্ত্রী, পুলিশ সুপারের পদ থেকে সরানো হচ্ছে স্বামীকে!
বিজেপিতে যোগদান করলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌরচন্দ্র মন্ডল। তাঁকে সামনে রেখেই গেরুয়া জার্সি গায়ে তুললেন আরও ১৩ জন সদস্য। প্রসঙ্গত গৌর বাবু বরাবরই শুভেন্দুর কাছের বলে পরিচিত। তাই বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট না পেয়েই তিনি পদ্ম শিবিরের দিকে ঝুঁকেছেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তাঁর সঙ্গী বাকিরাও তাঁর পথেই দল ছেড়ে বিজেপির দিকে পা বাড়িয়েছেন। আচমকা ঘটে যাওয়া এই ঘটনার পর সোমবার জরুরি বৈঠক ডাকেন মালদার তৃণমূল নেতারা।
ছিলেন মালদা জেলার তৃণমূল সভাপতি মৌসম নূর, প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী-সহ অন্যরা। সূত্রের খবর, বৈঠক চলাকালীন তর্কাতর্কির জেরে বেরিয়ে যান এক সদস্য। বৈঠকে উঠে আসা সিদ্ধান্ত নিয়ে কৃষ্ণেন্দু জানিয়েছেন, মোটেই ১৪ জন জাননি। দলের সিদ্ধান্ত, যারা গেছেন তাঁদেরকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া ছাড়াও দল থেকে ‘সাসপেন্ড’ করা হবে। দলে থাকলে আগামীদিনে এঁরা দলের ক্ষতি করতেন। ফলে ভালোই হয়েছে।
সভাধিপতি-সহ একঝাঁক সদস্যকে দলে নিয়ে মালদহ জেলা পরিষদ দখলে নিল বিজেপি। ভবিষ্যতে জেলা পরিষদে অনাস্থা এলে কীভাবে সামাল দেওয়া হবে সেই প্রসঙ্গে কৃষ্ণেন্দু বলেন, এখনতো আনতে পারবে না। যখন আনবে তখন দেখা যাবে। এখন দেখার ভোটের ফলে এই যোগদানের কোনও প্রভাব পরে কিনা।



