নজরবন্দি ব্যুরোঃ একটানা নিম্নচাপ এবং ইয়াস ঝড়ের পর সরকারের তরফে কৃষকদের কোনও সহযোগিতা করা হয়নি। এই অভিযোগে তিন দিন সিঙ্গুরে ধর্নার ডাক দেয় বঙ্গ বিজেপি। সেখান থেকে নবান্ন অভিযানের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার সেই কর্মসূচী ঘোষণা করল বঙ্গ বিজেপি। সিঙ্গুর শেষ নয়, নবান্ন অভিয়ানের ডাক দিল গেরুয়া শিবিরের।
সূত্রের খবর, এবিষয়ে প্রাথমিক স্তরের আলোচনা হয়েছে। জানা গিয়েছে নতুন বছরের শুরুতেই নবান্ন অভিযানের ডাক দিতে চলেছে বিজেপি। তার আগে ব্লকে ব্লকে ডেপুতেশন দেবেন বিজেপি নেতারা। বিজেপির অন্দরের খবর, ১০ অথবা ১১ জানুয়ারি বড়সড় পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। তবে এখনই কোনও চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি শীর্ষ নেতৃত্ব।


আরও পড়ুনঃ পাণ্ডুয়ায় লকেটের সন্ধানে পোস্টার, দলীয় কর্মসূচি নিয়ে চরম ক্ষুব্ধ সাংসদ
একটানা বৃষ্টি এবং জাওয়াদ ঘুর্ণিঝড়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা। ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে চাষেও। তাই সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণের দাবীতে সিঙ্গুরের আন্দোলনস্থলেই ধর্নায় বসে বিজেপি। যদিও প্রথম দিনে শীর্ষ নেতৃত্ব ছাড়া তারপর থেকে খুব একটা কর্মী সমাগম হয়নি। অনুপস্থিত ছিলেন হুগলীর সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, বিজেপি প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য সহ পঞ্চায়েত এবং জেলা পরিষদের কর্মীদের। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই জেলা বিজেপির মধ্যে দূরত্ব বাড়তে শুরু করেছে।
এসব কিছুকে দূরে রেখে প্রশ্ন উঠছে কেন আন্দোলনের পীষ্ঠভূমি সিঙ্গুরকেই কেন বেছে নিল গেরুয়া শিবির? কারণ সিঙ্গুরের আন্দোলন মমতার জন্য নবান্নের রাস্তা মসৃণ করে দিলেও মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর সেভাবে গুরুত্ব দেননি তিনি। তাই সিঙ্গুরের জমিতে শুভেন্দু অধিকারী আঙুল দেখিয়ে বলেন, “এখানে কিছু হল না। সর্ষে ছড়ালেন তাও কিছু হল না। শিল্পও হল না”। তাহলে যেটা হল মমতার ছড়ানো জমিতে আন্দোলনের অঙ্কুরোদগম হল বিজেপির। আর সেখান থেকে নবান্ন যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিল গেরুয়া শিবির।


সিঙ্গুর শেষ নয়, নবান্নের পথে বিজেপি

আগামী বছরের শুরুর দিকেই নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে বিজেপির কিষাণ মোর্চা। উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের সমস্ত প্রথম সারির নেতারা। উপস্থিত থাকতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার এবং দিলীপ ঘোষরা।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



