নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে ফলাফলের সাপেক্ষে হুগলি থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন লকেট চট্টোপাধ্যায়। এরপরে এবারের এই বিধানসভা নির্বাচনে পাণ্ডুয়া থেকেও বিজেপির টিকিটে লড়াই করেন এই সাংসদ তবে শেষ হাসি হেসেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তবে সেখানকার স্থানীয়দের দাবি বিধানসভা নির্বাচনা ব্যাপকভাবে ধরাশায়ী হওয়ার পর থেকেই নাকি হুগলী চত্বরে দেখা যাচ্ছে না লকেট চট্টোপাধ্যায়কে। সেই নিয়েই সাংসদের সন্ধানে এবার পোস্টার পাণ্ডুয়া চত্বরে।
আরও পড়ুনঃ Omicron: রাজ্যে প্রথম ওমিক্রন আক্রান্তের হদিশ, আক্রান্ত ৭ বছরের শিশু
এই মুহূর্তে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের তরফ থেকে উত্তরাখণ্ডের দায়িত্বে রয়েছেন হুগলীর এই সাংসদ। তবে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের পর কেন এই চত্বরে দেখা মিলছে না এই সাংসদের সেই নিয়েই চরমে উঠেছে বিতর্ক। অন্যদিকে , কৃষকদের অধিকার রক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে সিঙ্গুরে একাধিক কর্মসূচি পালন করছে বঙ্গ বিজেপি। তবে সেই মঞ্চে একাধিক বিজেপি নেতানেত্রী কে দেখা গেলেও দেখা যায়নি লকেট চট্টোপাধ্যায় কে। যা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করে খোদ দলেরই অন্দরে।
এসবের মাঝেই পাণ্ডুয়ায় দেখা গেল এই অভিনব পোস্টার। তবে কে বা কারা এই কাণ্ড ঘটালো সেই নিয়েও কাঁদা ছোড়াছুঁড়ি শুরু হয়েছে বিজেপি থেকে তৃণমূল এই দুই শিবিরের অন্দরে। এই নিয়ে সেখানকার সাংগঠনিক যুব মোর্চার সভাপতি বলেন, “এটা সাধারণ মানুষের কাজ নয়। শাসক দলের একঅংশই এই সমস্ত কাজের সঙ্গে যুক্ত। মূলত, পুরভোটের আগে ফায়দা তোলাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। ”
পাণ্ডুয়ায় লকেটের সন্ধানে পোস্টার, ক্ষুব্ধ সাংসদ

একই রকম ভাবে নিজেদের তরফ থেক সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দেন পাণ্ডুয়ার তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি অসিত চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানান, “পাণ্ডুয়ার মানুষ যে রাজনীতি ও সমাজ সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন তা পোস্টারেই প্রমাণ। আমফান ও করোনার সময় স্থানীয়রা সাংসদের দেখা পাননি। তাই পোস্টারের মাধ্যমে তাঁরা প্রতিবাদ জানিয়েছেন”।



