দৌড় করিয়ে-রাস্তায় ফেলে BJP পেটাল CPIM, ত্রিপুরা পুনরুদ্ধারে নামল লাল ঝান্ডা!

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ দৌড় করিয়ে-রাস্তায় ফেলে BJP পেটাল CPIM, মারের বদলা মারের রাস্তা নিল লাল ঝাণ্ডাধারীরা। ত্রিপুরায় হামলা চলছেই বিজেপির তরফে। বাংলা থেকে সংগঠনের ভিত শক্ত করতে যাওয়া তৃণমূল কংগ্রেস বারবার এই অভিযোগ করে এসেছে গত কয়েক মাসে। ২১ শে জুলাইয় থেকে ৫ই সেপ্টেম্বর সে রাজ্যে মমতার দল যা যা কর্মসূচি পালনের উদ্যোগ নিয়েছে প্রায় সবেতেই বাধা দিয়েছে বিপ্লব সরকার। কিন্তু এবার সিপিআইএমের অপর হামলা হতেই পালটা মারের রাস্তায় হাঁটল মানিকের দল।

আরও পড়ুনঃ এখনো চ্যালেঞ্জার দেয়নি বাকি দল, বুধে দুপুরেই কেন্দ্র-প্রচার শুরু মমতার

যেভাবে বাম সমর্থকেরা রাস্তায় নেমে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে তাতে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে গেরুয়া শিবির। ২দিন আগেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার এর কনভয়ে হামলা চালিয়েছিল বিজেপি। লাঠি, বাঁশ নিয়ে হামলা হয় কনভয়ের গাড়ির ওপর। ত্রিপুরায় হামলার পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাস্তায় নামের খোদ মানিক সরকার। পিছিয়ে না গিয়ে সম্মুখ প্রতিরোধ গড়ে বিজেপি কর্মীদের দিকে তেড়ে যান সিপিএম কর্মীরা।

কিন্তু এবার যা হল তাতে একেবারেই ব্যাকফুটে চলে গিয়েছে বিপ্লব বাহিনী। গতকাল ডিওয়াইএফআই এবং টিওয়াইএফ এর মিছিল-সমাবেশ ছিল ১৪ দফা কাজের দাবিতে। কিন্তু বাম সংগঠনের জমায়েতের খবর পেয়ে পাল্টা জমায়েত করে বিজেপি। বিজেপি কর্মীরা সিপিআইএমের স্থানীয় পার্টি অফিসের দোরগোরায় উত্তেজনা মূলক কথা বলতে থাকেন। এদিকে উদয়পুরের সেই পার্টি অফিস তখন ভর্তি বাম ছাত্র-যুবদের ভিড়ে।

প্রথম দিকে প্ররচনায় পা না দিলেও একসময় ধৈর্য্য হারান সিপিআইএমের যুবরা। নেতাদের নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে তেড়ে যান বিজেপি কর্মীদের দিকে। বিজেপি নেতা কর্মীরা ইট পাটকেল ছোঁড়েন বাম যুবদের লক্ষ্য করে, একজনের মাথা ফেটে যায়। ব্যাস… আর যায় কোথায়। তারপরেই কার্যত দৌড় করিয়ে-রাস্তায় ফেলে BJP পেটাল CPIM। রনে ভঙ্গ দিয়ে পালায় বিপ্লব বাহিনী। এই ঘটনায় যথেষ্ট ব্যাকফুটে ত্রিপুরা বিজেপি। ক্ষমতায় থাকা শাসক দল সিপিআইএমের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছে।

দৌড় করিয়ে-রাস্তায় ফেলে BJP পেটাল CPIM

দৌড় করিয়ে-রাস্তায় ফেলে BJP পেটাল CPIM

উল্লেখ্য, ২০১৮ নির্বাচনে দীর্ঘ বাম শাসনের অবসান ঘটে ত্রিপুরায়। পতন হয় মানিক ‘সরকারের’। ১ শতাংশ অর্থাৎ বিজেপির(এনডিএ) থেকে সার্বিক ভাবে মাত্র ৩৩ হাজার ভোট কম পেয়ে পরাজিত হয় বামফ্রন্ট। তবে ধৈর্য হারাননি মানিক। দাঁতে দাত চেপে প্রবল বিরোধীর ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। এমনকি তৃণমূল ত্রিপুরা জয়ের লক্ষ্যে ঝাঁপালেও বিচলিত হননি তিনি। সবথেকে বড় কথা মানিকের নেতৃত্বে ত্রিপুরার সিপিআইএম প্রমান করেছে পশ্চিমবঙ্গের মত শুধু কাগজ কলম আর সংযমের বিরোধীতা করবেন না তাঁরা।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত