নজরবন্দি ব্যুরোঃ এখনো চ্যালেঞ্জার দেয়নি বাম-বিজেপি। এদিকে দিন এগিয়ে আসছে ভোটের। সব মিলিয়ে আর দেরি করতে চাইছেননা প্রার্থী মমতা। নিজের পাড়াতেই ভিত আরও শক্ত করতে আজ থেকেই ভোট প্রচারে নামছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুনঃ প্রার্থী বাছাইয়ে নাজেহাল BJP, আপাতত ভবানীপুরে ‘নজরদারি’ করবেন অর্জুন সিং


২১ এর ভোটে মমতা ভবানীপুর ছেড়ে দাঁড়িয়েছিলেন নন্দীগ্রাম থেকে, আর ভবানীপুর সামলেছিলেন শোভনদেব। রুদ্রনীলের বিপরীতে শোভন জিতলেও, শুভেন্দুর কাছে হেরে যান মমতা। নিয়মমতো ৬ মাসের মাথায় রাজ্যের কোন বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিতে ফিরতেই হতো তাঁকে। মমতার জমি প্রস্তুত করতে ভবানীপুরের বিধায়ক পদ ছেড়েছেন শোভনদেব।
তৃণমূলের লাগাতার দরবারের পর কমিশন দিন দিয়েছে ৩০-এ, সেদিনই হবে ভবানীপুরের উপনির্বাচন। ২০১১,২০১৬ তে জিতে ফেরার পর এবার ফের ভবানীপুরের থেকে উপনির্বাচন লড়বেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। তবে দিন এগিয়ে এলেও প্রার্থী দেয়নি অন্য কোন দল। লোকসভার লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রার্থী দিচ্ছেনা কংগ্রেস। স্বাভাবিক ভাবেই জল্পনা বাড়ছে বামেদের হয়ে প্রার্থী হবেন কে?
এগিয়ে আসছে দিন, ভবানীপুরে মমতাকে এখনো চ্যালেঞ্জার দেয়নি বাম-বিজেপি।
অনেকেই মনে করছেন নন্দীগ্রামের পর ফের ভবানীপুরেও হতে পারে মমতা-মীনাক্ষী লড়াই। এদিকে নন্দিগ্রামের পর পাড়াতে এস মমতাকে চ্যালেঞ্জ দিতে চেয়েছিলেন শুভেন্দু। দিলীপ ঘোষই সোজা নাকচ করেছন। নামের তালিকা দিল্লি গেলেও এখনো সিলমোহর পড়েনি তাতে।


এদিকে বাকিরা যখন স্রেফ প্রার্থী বাছাই করতেই হিমশিম খাচ্ছে, ততদিনে ভবানীপুর ঢেকেছে ঘরের মেয়ের পোস্টারে। ঠিক হয়েছে প্রচার তালিকা। ভাগ করে দেওয়া হয়েছে শীর্ষ নেতাদের দায়িত্ব। মমতা ছাড়াও প্রচার করবেন সুব্রত বক্সি, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, সৌগত রায়, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কুণাল ঘোষ, সুখেন্দুশেখর রায়, মনোজ তিওয়ারি, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় সায়নী ঘোষ, জুন মালিয়া, দেব, মিমি চক্রবর্তী, শতাব্দী রায়, রাজ চক্রবর্তী।

দায়িত্ব সামলাবেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, দেবাশিস কুমার, সুব্রত মুখার্জী। সব রণকৌশল তৈরি করে কোভিড বিধি মেনেই আজ থেকে প্রচারে নামছেন মমতা। আজ বেলা ৩টের সময় প্রথম নির্বাচনী সভা করবেন, চেতলার অহীন্দ্র মঞ্চে।
ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, রেকর্ড মার্জিনের লক্ষ্যে কোভিড প্রটোকল মেনেই ধীরে ধীরে শুরু হবে প্রচার। বিধি নিষেধের কারণে সকলকে এক সঙ্গে ডেকে সভা করা যাবে না। তবে জায়ান্ট স্ক্রিনের ব্যবস্থা থাকছে। সেখানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য শোনা যাবে। আজ, বুধবার তিনি কর্মীদের কী জানাবেন তার ওপরেই নির্ভর করবে আগামী দিনে কী ভাবে প্রচার চলবে ভবানীপুর জুড়ে।







