বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অস্থির পরিস্থিতি ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রকাশ্যে উদ্বেগ জানালেন দেশটির ক্ষমতাচ্যুত ও নির্বাসিত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী Sheikh Hasina। বড়দিন উপলক্ষে দেওয়া এক অডিও বার্তায় তিনি বলেন, বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হলেও বর্তমানে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর সহিংসতার অভিযোগ দেশবাসীকে গভীরভাবে ব্যথিত করছে।
হাসিনার বক্তব্যে উঠে এসেছে, সাম্প্রতিক সময়ে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে হামলা, ভয়ভীতি ও প্রাণহানির ঘটনা বাড়ছে বলে যে অভিযোগ সামনে আসছে, তা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও মানবিক ঐতিহ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তাঁর দাবি, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে সাধারণ মানুষ তা মেনে নেবে না।
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, বর্তমানে যে অন্তর্বর্তী শাসনব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে, তাদের নীতিগত ব্যর্থতার ফলেই আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটছে। তিনি সরাসরি Muhammad Yunus-এর নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের সমালোচনা করে বলেন, ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ এবং সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
এই প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একাধিক সহিংস ঘটনার কথাও আলোচনায় এসেছে। ময়মনসিংহে এক হিন্দু শ্রমিকের মৃত্যুর পর দেহ পোড়ানোর অভিযোগ এবং রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় অমৃত মণ্ডল নামে এক যুবকের গণপিটুনিতে মৃত্যুর ঘটনায় সংখ্যালঘু মহলে আতঙ্ক বেড়েছে। পুলিশ অবশ্য কিছু ক্ষেত্রে ভিন্ন কারণের কথা উল্লেখ করেছে, তবে পরপর এই ধরনের ঘটনার ফলে উদ্বেগ আরও গভীর হয়েছে।
শেখ হাসিনা তাঁর বার্তায় বলেন, বড়দিনের মতো উৎসব সব ধর্মের মানুষের মধ্যে শান্তি ও সহাবস্থানের বার্তা দেয়। তাঁর আশা, বাংলাদেশের মানুষ শীঘ্রই এই অন্ধকার সময় অতিক্রম করে আবার সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতার পথে ফিরবে।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক মাসগুলিতে Bangladesh-এর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, আন্দোলন ও পাল্টা অভিযোগ আন্তর্জাতিক মহলেও নজর কেড়েছে। সংখ্যালঘু নিরাপত্তা ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ভবিষ্যতে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে দেশ-বিদেশের পর্যবেক্ষক মহল।



