নজরবন্দি ব্যুরো: দুর্গাপুজোতে বাংলাদেশ থেকে নতুন করে ইলিশ আসেনি এরাজ্যে। কারণ, মা ইলিশ রক্ষায় গত ১২ অক্টোবর থেকে ২২ দিনের জন্য ওপার বাংলাতে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত ও বিনিময়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল হাসিনা সরকার। তবে নতুন করে ইলিশ না এলেও কলকাতা সহ জেলাগুলিতে যেই ইলিশ মজুত করে রাখা ছিল, পুজোর সময় সেই গুলিই বিক্রি করেছেন বিক্রেতা।
আরও পড়ুন: OMR দুর্নীতি মামলায় অস্বস্তি বাড়ল গৌতম পালের, সুপ্রিম কোর্টে মিলল না রক্ষাকবচ


কিন্তু এখনও শেষ হয়নি, উৎসবের মরশুম। সামনেই কালিপুজো আর ভাইফোঁটা। তবে এই সময় কি ওপার বাংলা থেকে এরাজ্যে আসবে ইলিশ? অর্থাৎ দুর্গাপুজোয় স্বপ্নভঙ্গ হলেও ভাইফোঁটায় মিলবে স্বাদ! কালিপুজো আর ভাইফোঁটায় পাতে পড়বে পদ্মার ইলিশ?এখন এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজ্যবাসীর মনে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের তরফে এপার বাংলায় ৭৯ প্রতিষ্ঠানকে ইলিশ রফতানির জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। যদিওবা মাত্র ৭৯ টা প্রতিষ্ঠানকেই বাংলাদেশ সরকার ৫০ টন করে ইলিশ রফতানির অনুমোদন দেওয়ার অনুমতি দিয়েছিল। যার ফলে জানা গিয়েছিল যে, আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে রফতানিকৃত সমস্ত ইলিশই চলে আসবে এই বাংলায়। কিন্তু মাঝপথেই ইলিশ বিনিময়ের ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে হাসিনা সরকার। যার ফলে দুর্গাপুজোতে বাঙালির পাতে পরেনি মাছের রাজা ইলিশ।



দুর্গাপুজোয় স্বপ্নভঙ্গ হলেও ভাইফোঁটায় মিলবে স্বাদ, আদৌ ইলিশ জুটবে কিনা, প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে
কিন্তু এবার রাজ্যবাসীদের মনে প্রশ্ন উঠছে যে, কালিপুজো আর ভাইফোঁটায় পাতে পড়বে পদ্মার ইলিশ? জানা যাচ্ছে, চলতি বছরের মোট অনুমোদনের মাত্র ১৪ শতাংশ ইলিশ রফতানি করেছে বাংলাদেশ। ২০২৩ সালের বাকি সময়ে রাজ্যে বাংলাদেশের ইলিশ মাছ মিলবে না বলেই মনে করছেন মাছ ব্যবসায়ীরা। অর্থাৎ দুর্গাপুজোর পরে ভাইফোঁটাতেও পাতে পড়বে না বাংলাদেশের ইলিশ।








