বাংলার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে প্রথমে রাজভবনের মধ্যে রাজভবনেরই কর্মীকে শ্লীলতাহানি এবং পরবর্তীতে এক নৃত্যশিল্পীকে পাঁচতারা হোটেলে ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের আবেদন জানিয়ে ভারতের মাননীয়া রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে চিঠি দিল বাংলা পক্ষ।
আরও পড়ুন: সিপিএমের হার্মাদরাই এখন বিজেপির ওস্তাদ, সন্দেশখালি প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মমতা


বাংলা পক্ষ তাঁদের চিঠিতে লিখেছে, তিনি যেহেতু রাজ্যপালের পদে আছেন, তাই তাঁর সাংবিধানিক রক্ষা কবচ আছে। সংবিধানের ৩৬১ নং আর্টিকেল অনুযায়ী তিনি রক্ষাকবচ পান৷ পুলিশ ও কোনও কোর্ট তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে না। কিন্তু অভিযোগ যারা করেছে, সেই সব বাঙালি মহিলাদেরও বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। রাজ্যপাল পদকে কাজে লাগিয়ে কেউ কি ধর্ষণ বা শ্লীলতাহানির মতো ঘটনা ঘটাতে পারে?

সঙ্গে তাঁদের আরও প্রশ্ন, অভিযোগের তদন্ত হওয়া উচিত না? অভিযোগ মিথ্যা হলে উনি সসম্মানে নিজের পদে ফিরে আসুন। কিন্তু সত্য বা মিথ্যা যাচাইয়ের আগে পর্যন্ত এই পদে থাকার অধিকার সিভি আনন্দ বোসের আছে? রাজ্যপাল সম্মানের পদ, সাংবিধানিক পদ। তাঁকে দেখেই তো শিখবে সবাই।



রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি-ধর্ষণের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি বাংলা পক্ষের
বাংলা পক্ষের তাই দাবি, যাতে নির্যাতিতারা বিচার পান এবং তদন্ত সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত মাননীয় রাজ্যপালকে সাময়িক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার আবেদন জানাই। ভারতের যিনি সাংবিধানিক প্রধান, যিনি রাজ্যপাল নিয়োগ করেন অর্থাৎ মাননীয়া রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দিল বাংলা পক্ষ। সংগঠনের তরফে সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি এই চিঠি লিখেছেন।








