নজরবন্দি ব্যুরোঃ পঞ্চায়েত ভোটে রক্তে ভিজেছে বাংলার মাটি। শনিবার সারাদিনে ভোট সন্ত্রাসে তরতাজা ১৮ প্রাণের বলি। যদিও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দাবি সংখ্যাটা দশের বেশি নয়। লাগামছাড়া সন্ত্রাসের সাক্ষী থাকল বাংলা সঙ্গে ছাপ্পা ভোট, বুথ রিগিং, সংঘর্ষের অসংখ্য অভিযোগ। আর এবার ভোট শেষ। রাজ্যবাসীর মত গ্রহণের ব্যালট পেপার রাজ্যের নির্ধারিত স্ট্রং রুমে।
আরও পড়ুনঃ বাংলার দরিদ্র পড়ুয়াদের স্কলারশিপ দেবে কেন্দ্র, জানুন আবেদনের শেষ তারিখ


আর এই স্ট্রং রুম নিয়েই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল মালদার গাজোলে। অভিযোগ হলো রুমে মিলছে না একটি ব্যালট বক্স। আর এই অভিযোগ নিয়েই ধরনায় বসলেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। ব্যালট বাক্স বদল এর অভিযোগ নিয়ে খগেন মুর্মু জানান,

‘গতকাল রাত ১০ টা থেকে ১১ টার মধ্যে আমরা স্ট্রং রুম দেখতে আসি বিধায়ক ছিলেন পরিষদের প্রার্থীরাও ছিলেন টং রুমের বাইরে থেকে সেটি ঠিক আছে কিনা। এর মধ্যেই খবর আসে গাজল বিধানসভার সাহিল ডাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮৩ নম্বর বুথের ব্যালট বাক্স টি পোলিং স্টাফরা জমা দিয়েছেন কিন্তু সেটি স্ট্রং রুমে রিসিভ হয়নি। এরপরেই খোঁজ খবর করি ভিডিও জয়েন্ট ভিডিও সেখানে ছিলেন খোঁজ নিয়ে দেখা যায় ব্যালট বাক্সটি রিসিভ হয়নি তার মানে ওই বাক্সটি গায়েব হয়ে গিয়েছে’।



তিনি আরো বলেন, ‘জেরা গ্রাম পঞ্চায়েতের ২১৭ নম্বর বুথের যে পোলিং স্টাফ প্রিজাইডিং অফিসারসহ ওই ক্যাম্পাসের ১৬ নম্বর রুমের ভেতরের ব্যালট বাক্স বদল করার চেষ্টা করেছিলেন। জেলা পরিষদের ব্যালট বাক্স ফাঁকা করে দিয়েছেন। আর তারই প্রতিবাদে আমি ধরনায় বসেছি’। কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাহারার পরেও ব্যালট বাক্স গায়েব হলো কি করে?
গাজোলের স্ট্রংরুমে ব্যালট বক্স উধাও! প্রতিবাদে ধর্নায় বিজেপি সাংসদ খগেন মুরমু

এই ব্যাপারে বিজেপির সংসদ বলে্ ‘কেন্দ্রীয় বাহিনীর ছিল না ভূত গুলোতেও ছাপ্পা মেরেছে প্রার্থীদের মারধর করেছে এখানে মাত্র দুজন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান রয়েছেন। বুথে যখন পারলেন না তখন স্ট্রং রুমের বাক্স বদল করে জেতার চেষ্টা করছে। মালদা জেলার বিভিন্ন জায়গায় এইসব হয়েছে, তাই রিপোলের দাবি করছি’। যদিও খগেন মুর্মুর এই অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছেন তৃণমূল।







