নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাংলার মানুষের রায়ে দেশে নতুন আশা জেগেছে, সর্বভারতীত স্তরের দয়িত্ব পেয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে প্রথম বৈঠকেই জানালেন অভিষেক। সঙ্গে আরও একাধিক বিষয়ে বক্তব্য রেখেছন। এক দশক ধরে রাজনীতির পাঠ নিয়েছেন তিনি, যুবা তৃণমূল থেকে আজ সর্বরভারতীয় সভাপতি।অনেকেই তৃণমূলে অভিষেকের উত্থানে পিসি-ভাইপো তত্ব তুলে আনলেও, ২১ এর নির্বাচনে অভিষকের সক্রিয়তা দেখে সকলেই প্রায় এক বাক্যে স্বীকার করেছিলেন রাজনীতির মাঠে যথেষ্ট সাবালক হয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ আজই অভিষেকের থেকে দায়িত্ব বুঝে নেবেন সায়নী, জানিয়ে দিলেন ২০২৪-এ বড় খেলা হবে


গোটা নির্বাচন কাল মমতার চেয়ে বেশি আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে। বিজেপির নেতারা মঞ্চ থেকে নিয়ম করে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করতেন। তবে সব একাই সামলেছেন তিনি। কখনো পরের মুহুর্তে জবাব দিয়ে বা কখন অবহেলা করে। একদিকে জরের কারিগর হিসেবে ভোট কৌশোলি প্রশান্ত কিশোরকে আনা, অন্য দিকে গোটা নির্বাচন কাল দাপিয়ে প্রচার করে বেড়ানো। অবাক করেছিল সকলকে।
এতদিন ধরে দলে অঘোষিত দু’নম্বর ছিলেন তিনি, এবার সেটাই ঘোষিত ভাবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতার পরেই মত রাখবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ সাংবাদিক বৈঠক থেকে প্রথমেই তিনি জানান, দল আমাকে নতুন দায়িত্ব দিয়েছে। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে কৃতজ্ঞ। তার পরেই আসেন ভোট এবং বিজেপি প্রসঙ্গে। তার সঙ্গেই জানান এখানে সেকেন্ড ম্যান বলে কেউ হয় না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরেই কর্মীরা।
২১ এর নির্বাচনে বাংলায় বিজেপির রথের চাকা আটকে তৃণমূলের ব্যাপক জয় নিয়ে অভিষেক বলেছেন, বাংলার মানুষের রায়ে দেশে নতুন আশা জেগেছে,, সঙ্গে তিনি যোগ করেছেন এরপর তৃণমূল কংগ্রেস যে রাজ্যেই যাবে ভোট লড়তে, কিছু ভোটের জন্য নয়, যাবে জিততে। এ যেন, এলাম জিতলামের সমীকরণ কষে ফেলেছেন তিনি।


সঙ্গে বৈঠক থেকেই কটাক্ষ করেছেন এক সময়ের সতীর্থ এবং বর্তমান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। কটাক্ষ করেছেন বিজেপিকেও। সঙ্গে জানান, বিজেপি-কে হারানো আমাদের লক্ষ্য নয়। আমাদের লক্ষ্য দেশকে বাঁচানো, দেশের সংবিধানকে রক্ষা করা। সবাই বিশ্বাস করেন, মমতা গণতন্ত্রকে বাঁচাতে পারবেন।
দলে সেকেন্ড ম্যান বলে কেউ নেই, মমতা ব্যানার্জীর পরেই কর্মীরা, এখথার সঙ্গেই বিজেপির বারবার পরিবার তন্ত্র তত্ব নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমনের পালটা জবাব দিয়েছেন তিনি। আজকের বৈঠক থেকে অভিষেক বলেন, অমিত মালব্যকে বলব, আইন নিয়ে আসুন যাতে এক পরিবার থেকে একজনের বেশি রাজনীতিতে আসতে পারবেন না। আইন আনুন। সবার আগে আমি ইস্তফা দেব।







