নজরবন্দি ব্যুরোঃ একযোগে হুগলীতে ছাপ্পা ভোট রুখল তৃণমূল-সিপিআইএম! আজ বাংলায় চতুর্থ দফার নির্বাচন। ৫ জেলার মোট ৪৪টি কেন্দ্রের মোট আসনে আজ নির্বাচন। কড়া নিরাপত্তায় নির্বাচন হলেও সকাল থেকে রাজ্য জুড়ে একাধিক ঘটনার চিত্র ফুটে উঠেছে। উত্তরবঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন ৫ জন। রাজ্যের একাধিক জায়গায় বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন প্রার্থীরা।কোথাও নির্বাচনী কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে মানুষকে ভোটে প্রভাবিত করার। এসবের মধ্যেই হুগলীতে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগের ঘটনার চিত্র উঠে এসেছে।
আরও পড়ুনঃ বিজেপিকে ভোট দিতে বলছেন নির্বাচন কর্মী! মহেশতলায় অভিযোগ বাসিন্দাদের।


আজ নির্বাচনের শুরু থেকেই উত্তপ্ত হুগলী এবং চুঁচুড়া। সকালের দিকেই চুঁচুড়ার বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন তাঁর অপর হামলা চালিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তার কয়েকঘন্টা পরেই উঠে এসেছে অন্য তথ্য। তৃনমূলের প্রার্থী একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আনেন, তাতে দেখা গিয়েছে ভিতর থেকে কাঁচ ভাঙা হয়েছে তাঁর গাড়ির। এর পরই হুগলীতে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ উঠেছে।
মোটমাট শান্তিপুর্ন ভোটের মধ্যেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।সূত্রের খবর হুগলির চার চারটি বুথে ঢুকে ক্যামেরা ঘুরিয়ে ভোট দিয়েছে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি। ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া চলাকালীন আচমকাই এক ব্যক্তি শকুন্তলা কালীতলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভিতরে ঢুকে যান। এবং ২৪৯, ২৫০, ২৫১ ও ২৫২ বুথে থাকা চারটি ক্যামেরাকে ঘুড়িয়ে ইভিএম মেশিনের দিকে ছাপ্পা ভোট দিতে যান। এরপরই তাকে ঘিরে প্রতিবাদ দেখাতে থাকেন লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভোটাররা। অভিযোগ ছাপ্পা ভোট দিতে এসেছিল ব্যক্তিটি। সমগ্র ঘটনায় একযোগে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সিপিআইএম প্রার্থী রজত ব্যানার্জী ও তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ কর্মীরা ।
একযোগে হুগলীতে ছাপ্পা ভোট রুখল তৃণমূল-সিপিআইএম! জানা যাচ্ছে, আচমকাই বুথে ঢুকে ক্যামেরা ঘুরিয়ে ভোট দিতে থাকলে সাধারণ মানুষের বিক্ষোভের মুখে পড়েন ওই ব্যাক্তি। তবে অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর পুলিশ ওই ব্যাক্তিকে চলে যাওয়ার রাস্তা করে দিয়েছেন। তার পরই ওই পুলিশকে ঘেরাও করেছেন সাধারণ মানুষ। সাধারণ মানুষ মনে করছেন, ওই ব্যাক্তি বিজেপির সর্থক। এবং পদ্ম শিবিরের ছাপ্পা ভোট দিতেই এসেছিলেন তিনি।









