আবগারি দুর্নীতি মামলায় বৃহস্পতিবার দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়ালের স্থায়ী জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শুক্রবার দিল্লি হাই কোর্টে আবেদন করে ইডি। সেখানেই বিচারপতি সুধীরকুমার জৈন এবং বিচারপতি রবীন্দ্র দুদেজার বেঞ্চ ইডির আবেদনে সাড়া দিল। মামলার পরবর্তী শুনানি ২-৩ দিন পর। ততদিন পর্যন্ত কেজরীকে হিহাড় জেলেই থাকতে হবে।
আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় বাহিনীর মেয়াদ বাড়াল হাই কোর্ট, কবে পর্যন্ত রাজ্যে থাকবেন জওয়ানেরা?
আবগারি দুর্নীতি মামলায় গত মার্চে তিনি গ্রেফতার হন অরবিন্দ কেজরীওয়াল। পরে তাঁকে তিহাড় জেলে পাঠানো হয়। ভোটের আগে সাময়িক জামিন পেলেও পরে ফের জেলে ফিরতে হয় তাঁকে। এবার তিনি জামিন পেলেও দিল্লি হাই কোর্টের পরযবেক্ষণ, ‘বেআইনি আর্থিক লেনদেন প্রতিরোধ আইন’ (পিএমএলএ)-এর ৪৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী ইডির তরফে জামিনের বিরোধিতা করে জমা দেওয়া নথিগুলির যথাযথ ভাবে বিবেচনা না করেই অরবিন্দকে ছেড়ে দেবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পাল্টা, কেজরীর আইনজীবী বলেন, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ পায়নি ইডি। কিন্তু, ইডির বক্তব্য, নথি পর্যালোচনা না করেই একতরফা ভাবে জামিন দেওয়া হয়েছে আপ প্রধানকে। সেই নথি পর্যালোচনার জন্যই আরও ২-৩ দিন অতিরিক্ত সময় চেয়ে নেওয়া হল।
মুক্তি দিল না আদালত, ফের তিহাড়েই অরবিন্দ কেজরীওয়াল

কেজরীর আইনজীবীর দাবি, আবগারি দুর্নীতি মামলায় আম আদমি পার্টি এর প্রধানের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ নেই ইডির হাতে। এই মামলায় যাঁরা রাজসাক্ষী হয়েছেন, তাঁদের বয়ানের উপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে রয়েছে মামলাটি। এই ঘটনায় আপ নেতানেত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কেজরীর স্ত্রী সুনীতা বলেছেন, ‘‘দেশে স্বৈরতন্ত্র সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করেছে।’’








