নজরবন্দি ব্যুরোঃ তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে কোটি কোটি টাকা। যা দেখে ঘুম উড়েছে গোটা দেশের। সেই অর্পিতার লাইফস্টাইল দেখে চমকে উঠছেন ইডি আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে খবর, পোকার বা অনলাইন জুয়াতে টাকা লাগাত অর্পিতা। এমনকি একাধিক ক্লাবে গিয়ে টাকা ওড়াত অর্পিতা।
এখানেই শেষ নয়, এর আগে একাধিকবার বিদেশ যাত্রা করেছে অর্পিতা। প্রত্যেকবারেই তাঁর সঙ্গে ছিল তামিল এবং ওড়িয়া চলচ্চিত্র জগতের কলাকুশলীরা। এমনটাই জানতে পেরেছে ইডি। ইডি সূত্রে খবর, প্রত্যেকবারেই বিজনেস ক্লাসে করে যাতায়ত করত অর্পিতা।

ইডি আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন, ২০১৬ সাল থেকে ২০১৯ সাল অবধি কলকাতায় অর্পিতায় তিনটি পার্লারের ব্যবথা ফুলেফেঁপে উঠেছিল। পার্লারগুলিতে মেক আপ আসত লক্ষাধিক টাকার। কালো টাকা সাদা করতেই এই ব্যবস্থা নিয়েছিল অর্পিতা। একইসঙ্গে দাবি করা হচ্ছে বিদেশ থেকে আনা মেক আপ কিট ব্যবহার করত অর্পিতা।
ইতিমধ্যেই অর্পিতার নামে একাধিক সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে ইডি। ২২ জুলাইয়ের মাস দু’য়েক আগে থেকে হঠাৎ উধাও হয়ে যাওয়া গাড়িগুলির খোঁজ শুরু করেছে ইডির আধিকারিকরা। একইসঙ্গে ইডির নজর রয়েছে ইচ্ছের দিকেও। এমনকি সেখানে কেএমডিএর তরফে ব্যবস্থা নিতেও বলা হয়েছে।
ক্লাবে গিয়ে টাকা ওড়াত অর্পিতা, বিলাসবহুল জীবন দেখে হকচকিয়ে যাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা

পার্থ এবং অর্পিতার অ্যাকাউন্ট থেকে নতুন করে ৮ কোটি টাকার হদিশ মিলেছে। সেই টাকার লেনদেন কাদের সঙ্গে হত? কারা যুক্ত রয়েছে? সবটা খোঁজ শুরু করেছে ইডি। একইসঙ্গে অর্পিতার জিএসটি নম্বর দুটিকেই খতিয়ে দেখছে ইডির আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে খবর, একটি তাঁর নেইল আর্টের সঙ্গে যুক্ত হলেও অপরটি কী কারণে ব্যবহার করা হত? তা জানা যায়নি।



