পাচন বড়ির ডোজ গুরুত্বপূর্ণ! জেলায় জেলায় খেলার ট্রেনিং দিচ্ছেন অনুব্রত।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: পাচন বড়ির ডোজ গুরুত্বপূর্ণ! জেলায় জেলায় খেলার ট্রেনিং দিচ্ছেন অনুব্রত। এমনিতেই নির্বাচনের মরসুম আসুক বা না আসুক নিজের মেজাজে একেবারে নিজের মত থেকে সকলকে বার্তা দিতে থাকেন বীরভূমের কেষ্ট দা। আর প্রত্যেক বার বাজারে আনেন একেকটা নতুন নতুন শব্দ। তাসে ‘গুড় বাতাসা’ হোক বা ‘চড়াম চড়াম’ বা ‘ঠেঙ্গিয়ে পগার পার’।

আরও পড়ুনঃ “আমিও দেখে নেবো”! প্রশাসনকে চ্যালেঞ্জ, বিনা অনুমতিতেই রোড শো শ্রাবন্তীর।

নিজের শব্দ নিয়ে যুক্তিও দিয়ে দেন তিনি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে তৃণমূলের ‘খেলা হবে’ স্লোগান কে একেবারে দ্বায়িত্ব নিয়ে প্রচারের শীর্ষে নিয়ে এসেছেন এই অনুব্রত মন্ডল। নির্বাচনের আগে থেকেই এবার ব্যস্ত অনুব্রত। একেবারে জেলায় জেলায় মিটিং করে চলেছেন তিনি। টানা কর্মসূচির মাঝে এই নির্বাচনে নিজের ভোকাল টনিকের কথা সাংবাদিকরা জিজ্ঞাসা করলে, তিনি হেসে জানিয়েছিলেন এবার ব্যস্ত ডোজ ঠিক করতে, সময় কই? কারণ তিনি মনে করেন যে কোনো খেলার মোদ্দা কথা হলো ট্রেনিং। আর এই ২১এর নির্বাচনের খেলার ট্রেনিং তিনি দিয়ে চলেছেন সকলকে।

কেষ্ট দার সাফ কথা, “তৃণমুলের সঙ্গে পেরে ওঠা কঠিন।” আর সেই কারণেই তিনি ট্রেনিং দিচ্ছেন কোন বলে ৬ মারা যায় আর কোথায় রান নিলেও আউট হওয়া যায়না। বরাবর কোনোকিছুর তোয়াক্কা করেন না অনুব্রত মন্ডল। কখনো ভোটে লরেন নি তিনি। একাধিক বার একই প্রশ্ন করা হয়েছে তাঁকে, কেনো তিনি লড়ছেন না, তাঁর সাফ উত্তর সবাই তিনি কর্মী, মন্ত্রী হতে চান না। কর্মী হয়ে ট্রেনিং দেবেন বাকি কর্মীদের দল ধরে রাখতে। বারবার তাঁর একেকটা শব্দ নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক, যেমন পাচনের বাড়ি। বহু বিতর্ক হয়ছে তাঁর এই কথা নিয়ে। বছর পেরিয়েও অনুব্রত অকপট, অভিধানে খোঁজা হোক, প্রমাণ করা হোক কোন অর্থ বলছেন তিনি। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই ব্যস্ত তিনি জেলায় জেলায় ডোজ ঠিক করে দিতে। তাঁর মতে খেলা ঠিক থাক শিখে গেলে তৃণমূলকে হারাতে পারবেনা কেউই। আর সেই ট্রেনিংই দিচ্ছেন তিনি। তবে এতটাই ব্যস্ত তিনি, যে বীরভূমের দলীয় কর্মীরা অনুযোগ করছেন “দাদা এবার সময় দিচ্ছেন না নিজের জেলাতে।”

পাচন বড়ির ডোজ গুরুত্বপূর্ণ! জেলায় জেলায় খেলার ট্রেনিং দিচ্ছেন অনুব্রত। দাদা ব্যস্ত খেলার ট্রেনিং দিতে। আত্মবিশ্বাসী অনুব্রতর ট্রেনিং বৃথা যায়না, তিনি নিজে যেখানে খেলা শেখাচ্ছেন, সেখানে খেলা শিখে গেলে জয় আসবেই।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত