নজরবন্দি ব্যুরোঃ কৌশিকি অমাবস্যায় ভক্তদের ঢল নেমেছে বীরভূম জুড়ে। কিন্তু জেলার চেনা ছবিটা আজ অচেনা। কারণ, বোলপুরের পুজোর আয়োজনে ঠাঁটবাট নেই। হাজতবাসে জেলা সভাপতি কেষ্ট মণ্ডল পুজো সারলেন মালা পরিয়ে এবং নকুলদানা দিয়ে।
আরও পড়ুনঃ ইউটিউবার রোদ্দূর রায়ের মামলা খারিজ করল কলকাতা হাই কোর্ট


গত বছর বোলপুরের তৃণমূল কার্যালয়ে মা কালীকে ৫৭০ ভরি গয়না পরিয়ে পুজো করেছিলেন তিনি।১৯৯৮ সালে কংগ্রেসে থাকাকালীন পুজোর শুরু। নিজেই সমস্ত দায়িত্ব সামলাতেন। সেই অনুব্রতর অনুপস্থিতিতে বোলপুর জুড়ে মেজাজ যেন অনেকটাই ম্লান। কারণ প্রতিবছর নিজে হাতে মাকে সোনার গয়না পড়াতেন তিনি।

এ দিন সকালে উঠে স্নান করে পোশাক বদলে মায়ের পুজো করেছেন জেল হেফাজতে থাকা অনুব্রত মণ্ডল। জেলের ভিতর নেই মূর্তি। সংশোধনাগারের মধ্যে থাকা হনুমান মন্দিরের পাশে একটি টাইলসের ওপর মা কালীর ছবি রয়েছে। তাতেই পুজো দিলেন অনুব্রত মণ্ডল।
গরু পাচার মামলায় ১৪ দিনের সিবিআই হেফাজতে ছিলেন অনুব্রত। এখন জেল হেফাজতে তিনি। গত ১৪ দিনে ১০ কিলো ওজন ঝড়িয়েছেন তিনি। ১২০ কিলো থেকে কমে সোজা ১০৯ কিলো ৯০০ গ্রাম। ভারী চেহারার জন্য দলনেত্রীর কাছ থেকে এর আগতে ধমক খেয়ছেন কেষ্ট। ট্রেড মিল কিনেও লাভ হয়নি। কিন্তু সেই কেষ্ট একপক্ষেই কমিয়ে ফেলেছেন ১০ কিলো ওজন?


হাজতবাসে মেদ ঝড়েছে কেষ্টর, একাধিক বিধানসভা হাতছাড়া হয়ে গেল

অন্যদিকএ, এবার থেকে অনুব্রত মণ্ডলের দায়িত্বে থাকা আউশগ্রাম, মঙ্গলকোট এবং কেতুগ্রাম, রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দিয়েছে তৃণমূল। তৃণমূল সূত্রে খবর, গতকাল এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।







