নজরবন্দি ব্যুরোঃ সিট (SIT)-এর তদন্ত মানছি না। বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)-এর সদস্যদের সামনেই সিটকে প্রত্যাখ্যান করলেন নিহত ছাত্রনেতা আনিস খান (Anish Khan)-এর বাবা সালেম খান। এদিন বিশেষ তদন্তকারী আধিকারিক (সিট)-রা নিহত আনিসের বাড়িতে আসেন। তাঁরা তাঁর বাবার সঙ্গে কথা বলেন। প্রয়াত ছাত্রনেতা আনিশ খানের মোবাইল ফোন হেফাজতে নিতে চান তাঁরা। কিন্তু তাঁদের সামনেই সিটকে অস্বীকার করেন সালেম খান।
আরও পড়ুনঃ ঘটনার রাতে পুলিশই গেছিল আনিসের বাড়িতে, চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেল SIT


এদিন দুপুরে আনিসের বাড়িতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন সিটের সদস্যরা। আনিসের বাবা তাঁদের সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, সিটের উপর তাঁদের আস্থা নেই। এরপর আজ রাতেই ফের সিটের সদস্যরা উপস্থিত হন আনিসের বাড়িতে। তাঁরা নোটিশ দিয়ে আনিসের বাবাকে বলেন ছেলের মোবাইল ফোনটি তাঁদের হেফাজতে দিতে, যা তদন্তের কাজে লাগবে। কিন্তু তদন্তকারীদের মুখের ওপরে না বলেন সালেম। সাফ জানিয়ে দেন, CBI তদন্ত না হলে মোবাইল দেবনা।
যদিও আদালতের ওপর আস্থা হারাননি তিনি। জানিয়ে দেন যদি ছেলের মোবাইল ফোন দিতেই হয় তাহলে আদালতে বা সিবিআইএর হাতেই তিনি তা দেবেন। তিনি বলেন, আনিসের বাবা সালেম খান জানান, “পুলিশকে ছেলের ফোন দেব না। ওখানে চিপ লাগিয়ে আনিসকেই অপরাধী প্রমাণ করে দিতে পারে ওরা। মোবাইল থেকে সব তথ্যও সরিয়ে ফেলতে পারে। এই মোবাইল আদালত কিংবা সিবিআইকেই দেব।”
তিনি অভিযোগ করেন, সিটের তদন্ত তিনি মানছেন না। যেদিন আনিস খুন হল, সেদিন আমতা থানার পুলিশকে ডাকলেও তারা আসেনি। সেই রাত কাটিয়ে পরের দিন সকাল ৯টার পরে তারা আসে মৃতদেহ নিতে। এরপর তাদের পরিবারের কাউকে কিছু না জানিয়ে তারা উলুবেড়িয়াতে নিয়ে চলে যায় মৃতদেহ। তাই রাজ্য সরকারের সিটে আস্থা নেই আনিসের পরিবারের।


CBI তদন্ত না হলে মোবাইল দেবনা, SIT- এর নোটিশ প্রত্যাখ্যান আনিসের বাবার।

উল্লেখ্য, প্রথম দিনের তদন্তেই কিছুটা আলো দেখতে পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুসন্ধান অনুযায়ী, পুলিশই গেছিল আনিসের বাড়িতে। সূত্রের দাবী, সম্ভবত পুরনো একটি মামলার সূত্রে পুলিশ ওই রাতে অভিযানে গিয়েছিল। জেরার পাশাপাশি ওই রাতে আমতা থানায় কর্তব্যরত সমস্ত পুলিশ কর্মীর মোবাইল টাওয়ার লোকেশনও খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা। সবকিছু খতিয়ে দেখেই সিটের সন্দেহ ওই রাতে স্থানীয় থানার পুলিশকর্মীরা আনিসের বাড়িতে গিয়েছিলেন।







