কংগ্রেস ছাড়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বিজেপিতে যোগ দিলেন আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী (Kaustab Bagchi)। বৃহস্পতিবার বিজেপি কার্যালয়ে গিয়ে পতাকা হাতে তুলে নেন তিনি। বুধবারই কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে (Mallikarjun Kharge) তিন পাতার চিঠি দিয়ে কংগ্রেস ছাড়েন তিনি। জল্পনা তো ছিলই। এবার তাতেই পড়ল সিলমোহর। কংগ্রেস ছাড়ার পর এবার বিজেপিতে যোগদান পর্ব। বনিবনা না হওয়ায় কংগ্রেসের প্রাথমিক সদস্যপদ ছাড়লেন তিনি।

আরও পড়ুন : গ্রেফতার হতেই শাহজাহানকে বড় ‘শাস্তি’ তৃণমূলের, আরও কড়া পদক্ষেপের ভাবনা শাসক দলের
শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দিলেন কৌস্তভ বাগচী। সূত্রের খবর, লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন তিনি। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, আত্মসম্মান খুইয়ে তিনি কংগ্রেসে থাকতে চান না। তবে তিনি মাথা মুণ্ডন করে যে তৃণমূল সরকারকে বাংলা থেকে উৎখাত করার প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, সেই অবস্থান থেকে সরছেন না।

রাজনীতিতেই যে থাকবেন, সে বিষয়টিও স্পষ্ট করে দেন এই আইনজীবী। কৌস্তভ বলেছিলেন, “আমাকে হয়তো এখন অনেকেই দলবিরোধী তকমা দেবেন। কিন্তু আমি বারবার একটা কথা বলে এসেছি, এই দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলের সঙ্গে কংগ্রেসের হাত মিলিয়ে লড়াইয়ের বিষয়টির আমি বিপক্ষে। কংগ্রেসই এখানে নিজেকে তৃণমূলের আউটফিট বলে মনে করছে। শীর্ষ নেতৃত্ব প্রদেশ কংগ্রেসকে কোনও গুরুত্বই দেয় না। তাই আত্মসম্মানের সঙ্গে সমঝোতা করে দলে থাকতে চাই না।”

জল্পনার অবসান, বিজেপিতে যোগ দিলেন কৌস্তভ
জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিজেপিতে যোগ দিলেন কৌস্তভ। নেতা বলেন, “কোনও শর্তে আমি দল করি না। চাওয়া পাওয়ার জায়গা নেই। অত্যাচারী শাসকদলকে এ রাজ্য থেকে উৎখাত করতেই যোগদান।” এদিন আরও তিনজন যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। তাঁরা হলে শংকর বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেসের গ্রিভান্স সেলের চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। সিদ্ধার্থ মজুমদার, গত লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রার্থী ছিলেন তিনি। এছাড়া চিকিৎসক সৌমিত্র দত্ত।








