নজরবন্দি ব্যুরো: চাঞ্চল্যকর অভিযোগ বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁয়ের বিরুদ্ধে। তিনি নাকি চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা তুলেছেন! সোমবার কোতুলপুরের লাউগ্রামে দলীয় কর্মসূচি যাওয়ার পথে স্থানীয় যুবকদের বিক্ষোভের সম্মুখীন হতে হল বিজেপি সাংসদকে। সৌমিত্রর গাড়ি ঘেরাও করে তাঁরা টাকা ফেরত চান বলে সূত্রের খবর।
আরও পড়ুন: বাজির আড়ালে কি আসলে রমরমিয়ে তৈরি হত বোমা? সরেজমিনে তদন্তে দত্তপুকুরে NIA দল


এদিন দলীয় কর্মসূচি যাওয়ার পথে মিলমোড় সংলগ্ন এলাকায় সৌমিত্র খাঁকে বাধা দেন কিছু যুবক। দল বেঁধে তাঁরা দৌড়াতে থাকেন সাংসদের গাড়ির পিছন পিছন। অভিযোগ, চাকরি দেবার নাম করে তাঁদের কাছ থেকে টাকা তুলেছেন সৌমিত্র! সেই টাকাই তাঁরা ফেরতের দাবি জানালেন। বিজেপি সাংসদকে দেখামাত্রই ‘চোর হঠাও, দেশ বাঁচাও’ বলেও চিৎকার করতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এই আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সৌমিত্র।

বিক্ষোভ মোকাবিলা করতে সাংসদের নিরাপত্তারক্ষীরা গাড়ি থেকে নেমে আসেন এবং পরিস্থিতি সামাল দেন। সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কোতুলপুর থানার পুলিশও। পুলিশের সহায়তায় দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারেন সৌমিত্র। অভিযোগ অস্বীকার করে বিজেপি সাংসদ বলেন, “এসব করেই ওরা (পড়ুন, তৃণমূল) পঞ্চায়েত ভোটে জিতেছে। তবে সৌমিত্র খাঁর রাস্তা আটকানো যায় না। তৃণমূল গুন্ডাদের বলব এসব বাঁদরামি করে লাভ নেই।”



চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা তুলেছেন সৌমিত্র? সাংসদের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ স্থানীয় যুবকদের
এদিকে আবার, আমদহি গ্রামের বাসিন্দা দীপক গায়েন দাবি করেছেন, তিনি ২০১৫ সালে চাকরি পাওয়ার আশায় সৌমিত্র খাঁকে ৭ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন! যার মধ্যে এক লক্ষ টাকা সাংসদ ফেরত দিলেও ৬ লক্ষ টাকা বাকী। আর চাকরি তো দেননি বলেই অনেকের অভিযোগ। পাশাপাশি, সৌমিত্রর নিরাপত্তারক্ষীরা আজ স্থানীয় গ্রামের মানুষদের সাথে যা ব্যবহার করেছেন তাতেও তাঁরা ক্ষুব্ধ। সব মিলিয়ে, ফের যে একবার বিতর্কে জড়ালেন সৌমিত্র খাঁ তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।








