বারবেলায় দিদির ধমক, তবে কি রুটিন বদলাচ্ছে ‘মদন মিত্র লাইভে আছি’-এর

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: বারবেলায় দিদির ধমক, তবে কি রুটিন বদলাচ্ছে ‘মদন মিত্র লাইভে আছি’-এর? মদন মিত্র বাংলার রাজনীতিতে পুরনো অথচ এক চিরসবুজ ব্যক্তিত্ব। তার রাজনৈতিক জীবন বহু বিতর্কে ভরা। তবুও মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা এত বিতর্কের মাঝেও এতটুকু কমেনি। রাজনীতির সাথে সাথে সমাজের সাথে সাথে মদন মিত্র নিজেকে পাল্টে নিয়েছেন। ধরে রেখেছেন তার নিজস্ব একটা ইমেজ। সময় পাল্টেছে ,রাজনীতিতে এসেছে নতুন নতুন মাধ্যম।

আরও পড়ুনঃ দু’মাস পর দেশে স্বস্তি এক প্রকার, নিম্নগামী সংক্রমণ-মৃত্যুহার

সমাজে টেকনোলজির উন্নতি হয়েছে আর তার সঙ্গেও সঠিকভাবে মানিয়ে নিয়েছেন মদন মিএ। আর সেই মানিয়ে নেওয়াটা সোশ্যাল মিডিয়ায় মদন মিত্রের গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে অনেক ।”মদন মিত্র লাইভে আছি” একসময় এই কথাটা মিম হয় ঘুরতো সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর সেই সোশ্যাল মিডিয়াতে করা কিছু উক্তি আজ তৃণমূল সুপ্রিমো কাছে তাকে ধমক খেতে হল।

আর ধমক খেয়ে পাল্টে গেলেন মদন। শুক্রবার লাইভে এসে কামারহাটির অবস্থা থেকে একাধিক বিষয়ে কথা বলেন। লাইভ থেকেই কামারহাটির দৈন অবস্থার কথাও তুলে ধরেন,  বলেন বিটি রোডের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। দীর্ঘদিন রাস্তার সারাই হয় না। পৌরসভা কোনও কাজ করেনি। সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপনি যাঁদের মনে করেন আহারে দুদুভাতু খায়! তাঁরা যে কী জিনিস! নিজের যুক্তির সপক্ষে তিনি নাম তুলে আনেন সৌগত রায়ের। লাইভেই বলেন অধ্যাপক সৌগত রায়কে জিজ্ঞাসা

অভিযোগের পরেই তিনি জানান কামারহাটির এই দৈন দশা একেবারেই চোখে দেখা যায়না। তাঁর নিদান মুখ্যমন্ত্রী আরও একবার তাঁর ওপর ভরসা করে দায়িত্ব দিন কামারহাটির প্রশাসনের, তিনমাসেই তিনি বদলে দেবেন সব। সঙ্গে বলেন ‘দরকার হলে বিধায়ক পদ থেকেও ইস্তফা দিতে রাজি। কিন্তু আমার উপর একটু ভরসা রেখে দেখুন না। কামারহাটির প্রশাসক করুন, নাহলে তাড়িয়ে দিন! আমি মদন মিত্র বলছি। নিরাশ হতে হবে না।’ কিছু ক্ষেত্রে তাঁর কথায় অভিমান শোনা গিয়েছে। সময় চেয়েছেন নিজেকে প্রমাণ করার জন্য।

তার পরেই ভিডিওটি ডিলিট করে দিলেও কালকের দলীয় বৈঠকে দিদির কাছে হাল্কা ধমক খান, শোশ্যাল মিডিয়ায় সংযত ভাবে কথা বলার বার্তাও দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তৃণমূল সুপ্রিমোর ধমক খাওয়ার পরে শনিবার অর্থাৎ আজ ফেসবুক লাইভে আসে মদন বাবু ।

বারবেলায় দিদির ধমক, তার পরেই লাইভে এসে মদন বাবু বলেন ‘‘দিদির কাছে মদন মিত্রের ফেসবুকের থেকে ফেসভ্যালুর দামটা বেশি। কোথাও কোনও দাগ নেই। কাটা, ছেঁড়ার দাগ নেই।’’ পাশাপাশি, হাসি মুখেই মদনের কথা, ‘‘কাল থেকে সেই মদন মিত্রকে আর পাবেন না, যাঁকে কথায় কথায় পেতেন।’’ কারণ, ঘনঘন ফেসবুক লাইভের রুটিন থেকে এ বার হয় দলের উচ্চনেতৃত্বের নির্দেশেই সরে আসতে চাইছেন মদন মিত্র? নাকি নাকি দিদির ধমক খেয়ে কিছুটা অভিমানী মদনবাবু? প্রশ্নটা সবার সামনে কোন কথা না বলেই রেখে গেলেন এই চিরসবুজ তৃণমূল নেতা।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন