নজরবন্দি ব্যুরোঃ পার্থ চট্টোপাধ্যায় জেলে যাওয়ার আগে পর্যন্ত বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশের আসনে বসতেন। কিন্তু এখন সেই সোনালি দিন অতীত। মন্ত্রিসভার রদবদলে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দল থেকেও সরানো হয়েছে। পরিষদীয় মন্ত্রীও তিনি এখন নন। সেপ্টেম্বর মাসের অল্প সময়ের অধিবেশনে ওই আসনে কাউকে বসতে দেওয়া হবে না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর সূত্রের।
আরও পড়ুনঃ জীবন নিয়ে খেলা চলছে, হবু শিক্ষকদের আন্দোলন মঞ্চ থেকে উঠল স্লোগান


বিধানসভায় বিধায়কদের বসার ব্যবস্থা নতুন করে সাজানো হয়েছে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর পাশের আসনটি কারও জন্য বরাদ্দ করা হয়নি। কিন্তু কেন? পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তাহলে তিনি কেন বসবেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে? প্রশ্ন উঠছে একাধিক। সাথে রাজনীতির হাওয়ায় ভাসছে একটি সম্ভাবনার কথা।

মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেছিলেন তাঁর পরবর্তী ২-৩ প্রজন্ম তৈরী করে দিয়ে যাবেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে দলের ব্যাটন তুলে দিয়ে মমতা প্রমান করেছেন দলের পরবর্তী প্রজন্ম তৈরী। আর ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে অভিষেক প্রমাণ করে দিয়েছেন তিনি দল সামলাতে ঠিক কতটা যোগ্য। পাশাপাশি রাজ্যের মন্ত্রী না হয়েও রাজ্যের একাধিক ইস্যুতে অভিষেক এগিয়ে এসেছেন প্রশাসকের মতই।



সূত্রের দাবি ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগেই অভিষেক বন্দোপাধ্যায় রাজ্যের উপমুখ্য়মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন। এদিকে কয়লা কাণ্ডে অভিষেককে নোটিশ পাঠিয়েছে ইডি। সেই প্রসঙ্গ তুলে মমতা বন্দোপাধ্যায় গতকাল বলেছেন, “প্রতিহিংসা না প্রকাশ্যে হিংসা! আমি আগেই বলেছিলাম আমি সমাজ সেবা করতে রাজনীতিতে এসেছিলাম। এই রকম নোংরা রাজনীতি দেখলে আগেই রাজনীতি ছেড়ে দিতাম।”
‘২৪-এর আগেই মমতার ডেপুটি হিসেবে শপথ অভিষেকের? বড় ইঙ্গিত দিচ্ছে ফাঁকা আসন

বিজেপির রাজনিতীকে ব্ল্যাকমেলিং পলিটিক্স নাম দিয়ে মমতা বলেন, “তৃণমূলকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করবেন না। আমরা কারও খাই না, কারও পরি না। জেনে বুঝে কারও ক্ষতি করিনি। রক্তপাতে আমার ভয়। মশা মারতেও ভয় পাই। আমাদের অপমান করা হচ্ছে।” সূত্রের খবর, দলের বিরুদ্ধে বিজেপির ক্রমাগত চক্রান্তের বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করার জন্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডেপুটি হিসেবে শপথ নিতে পারেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়।







