তিনিই শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান, সেই পার্থকে নিয়েই আজ শৃঙ্খলারক্ষার বৈঠক তৃণমূলের!

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজুওরবন্দি ব্যুরোঃ গত দুই দিনে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বিপুল অঙ্কের নগদ টাকা এবং সোনার গয়না সহ একাধিক নথি হাতে পেয়েছে ইডি। এই বিপুল অঙ্কের টাকা উদ্ধার নিয়ে রাজ্যের শাসক দলের অন্দরেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। দলীয় এবং মন্ত্রীসভার পদ থেকে পার্থকে সরিয়ে দেওয়ার দাবিতে সরব হয়েছেন কুণাল ঘোষ, দেবাংশু ভট্টাচার্যরা।

আরও পড়ুনঃ ফের শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির হদিশ, নতুন করে মামলার অনুমতি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

এরই মধ্যে দলীয় শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির জরুরি বৈঠক ডেকেছেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মজার কথা হল খাতায় কলমে এখনও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ই তৃণমূল কংগ্রেসের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান। পার্থ চট্টোপাধ্যায় ছাড়াও এই কমিটিতে রয়েছেন, সুব্রত বক্সি, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

partha chatterjee 21 1

আজ বিকেল ৫ টা নাগাদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে ডাকা হয়েছে বৈঠক। নয়া তৃণমূল ভবনেই হবে বৈঠক। পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে দলের নেতাদের একাধিক মন্তব্যেই রাশ টানতেই এই পদক্ষেপ নিতে চলেছে তৃণমূল? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে। পাশাপশি এই বৈঠকেই পার্থের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত নিতে পারে শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি।

তিনিই শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান, সেই পার্থকে নিয়েই আজ শৃঙ্খলারক্ষার বৈঠক তৃণমূলের!
তিনিই শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান, সেই পার্থকে নিয়েই আজ শৃঙ্খলারক্ষার বৈঠক তৃণমূলের!

উল্লেখ্য, এদিন ট্যুইট করে তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, ‘পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে মন্ত্রীপদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হোক। সেইসঙ্গে সরিয়ে দেওয়া হোক দলীয় পদ থেকে। কেউ যদি মনে করেন আমি ভুল কথা বলছি, তাহলে দলের অধিকার রয়েছে আমাকে সমস্ত পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার।’ পরের টুইটে কুণাল লিখেছেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় তৃণমূল ভবনে দলীয় বৈঠক ডেকেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।’ তাই আগের করা টুইটটি তিনি মুছে দেবেন।

তিনিই শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান, সেই পার্থকে নিয়েই আজ শৃঙ্খলারক্ষার বৈঠক তৃণমূলের!

partha 17

কুণালের মতই সরব হয়েছেন তৃণমূলের মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য। ট্যুইট করে তিনি লেখেন, ঠাকুমা বলতেন, ফোঁড়া যখন পুঁজে ভরে এসেছে, অনতিবিলম্বে তাকে ফাটিয়ে দেওয়াই শ্রেয়। শরীর ভালো থাকে, শান্তিতে ঘুমানো যায়। একটি ফোঁড়ার জন্য গোটা শরীরকে কষ্ট দেওয়া বৃথা। প্রশ্ন উঠছে, উঠছে এই নেতাদের মুখেই লাগাম টানতেই বৈঠক ডাকলেন অভিষেক?

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন