নজরবন্দি ব্যুরো: বিস্তীর্ণ এলাকায় পানীয় জলের সংকটে ভুগছেন এলাকাবাসীরা। বর্তমানে দেউচা পচামি এলাকার ১৭ গ্রামে জলসংকট দেখা দিয়েছে। তার ওপর এখন তীব্র দাবদাহে হাঁসফাঁস অবস্থা। আর এহেন পরিস্থিতিতেই তাপপ্রবাহ উপেক্ষা করেই ময়ুরেশ্বরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখতে জনতার উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পরার মত। আর জনগণের এই ভালোবাসা দেখেই আগামী ৭ দিনের মধ্যে দেউচা পচামি এলাকাবাসীদের জলসংকট সমাধানের আশ্বাস দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে অটোচালকদের দাদাগিরি! শ্যামনগরে আহত সিভিক ভলান্টিয়ার
প্রসঙ্গত, তৃণমূলের নবজোড়ায় কর্মসূচীর জন্য বুধবার দুপুরে ময়ুরেশ্বরে পৌঁছে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকে দেখতে জনতার বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাস চোখে পড়ার মত ছিল। এরপরে এলাকায় একাধিক মানুষ নিজেদের অভিযোগ চিঠিতে জমা দেন। এরপরেই ওই চিঠিগুলির মধ্যে দুটি চিঠির মাধ্যমে অভিষেক জানতে পারেন যে, ভাড়কাটা গ্রামের জলসংকট ও গ্রামবাসীদের দুর্ভোগের কথা। আর তারপরেই সিদ্ধান্ত নেয়, আগামী সাতদিনে জলসংকট সমাধান করার কথা।

জলসংকটের পাশাপাশি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গালোয়ান সংঘর্ষে শহিদ সাইথিয়ার বেলগড়িয়া গ্রামের রাজেশ ওরাংয়ের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন। এর পাশাপাশি দলীয় নেতৃত্বকে নির্দেশ দেন যে, সাতদিনের মধ্যে এলাকার বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যসাথী এবং লক্ষ্মীর ভান্ডার কার্ড করে দিতে হবে।

এপ্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, “আপাতত আমি আপনাদের জন্য সাময়িক ভাবে একটা ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। আর চিন্তা নেই। আগামী সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে ১৭ টা বুথেই একটি করে টিউবওয়েল বসানো হবে। আমাকে আপনার তিনটে মাস সময় দিন। আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি। আপনাদের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান আমি ঠিক খুঁজে বার করবোই। আর এরপর থেকে জলের কোনও সমস্যা থাকবে না।”
এক সপ্তাহের মধ্যে মিটবে জলসংকট, দলীয় নেতৃত্বকে নির্দেশ অভিষেকের




