নজরবন্দি ব্যুরো: তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের জনসভা থেকে সিপিএমকে বেনজির ভাষায় আক্রমণ করলেন তৃণমূল সাংসদ তথা দলের সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্যে ধর্মতলায় গান্ধীমূর্তির পাদদেশে আয়োজিত সভায় উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক দু’জনেই। এদিন র্যাগিং মুক্ত ক্যাম্পসের জন্য রাজ্য সরকার কীভাবে পদক্ষেপ নেবে তা নিয়ে বক্তব্য রাখলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।
আরও পড়ুন: মাল্য বা চোকসি নয়, আমার পদবী বন্দ্যোপাধ্যায়, পালানোর লোক নই আমি! বিরোধীদের জবাব অভিষেকের


যাদবপুর বিশ্ববিদ্যায়ের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত রাজ্য-রাজনীতি। ক্যাম্পাসে সিসিটিভি বসানোর দাবি উঠলেও বাম ছাত্র সংগঠনের তরফে পড়ুয়াদের স্বাধীনতা খর্ব হবে এই অভিযোগ তুলে বিরোধিতা জানানো হয়েছে। আজ সেই প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, “এটা এদের বংশগত পরম্পরা। এদের দাদুরা কম্পিউটারের বিরোধিতা করেছে, বাবারা ইংরেজির বিরোধিতা করেছে আর এরা সিসিটিভির বিরোধিতা করছে। এরাই নাকি আবার কথায় কথায় হাইকোর্টে যায়। বলে, বুথে সিসিটিভি লাগাতে হবে, কেউ জেলে থাকলে সেই কয়েদীখানায় সিসিটিভি লাগাতে হবে। আমরা সিসিটিভি বসাবোই, র্যাগিং মুক্ত ক্যাম্পাস চাই। আর কোনও পড়ুয়ার প্রাণ যাবে না।”
তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপনে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র যুব এবং ছাত্রীরা দলে দলে ভিড় জমিয়েছেন ধর্মতলায়। বক্তব্য শুরু করেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত প্রত্যেক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যকে ধন্যবাদ জানান। এরপর বক্তব্য শুরু করে তাঁর কথায় উঠে আসে নবজোয়ার যাত্রা, পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে শুরু করে র্যাগিং প্রসঙ্গ।



দিন কয়েক আগেই লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থায় ইডি তল্লাশি নিয়ে সরগরম রাজনৈতিক মহল। তল্লাশিতে গিয়ে নাকি সংস্থার কম্পিউটারে কিছু ফাইল ডাউনলোড করেছেন ইডি আধিকারিকরা। এই অভিযোগে লালবাজারের দ্বারস্থ হয়েছেন সংস্থার কর্মী চন্দন বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেই প্রসঙ্গেও মুখ খুললেন।

আমরা সিসিটিভি বসাবোই, র্যাগিং মুক্ত ক্যাম্পাস চাই, সিপিএমকে বেনজির ভাষায় আক্রমণ করলেন অভিষেক
অভিষেক বলেন, “আমি চিকিৎসার জন্য বাইরে গিয়েছি। ফেরার পরের দিনই আমার অফিসে লোক পাঠিয়ে দিয়েছে। সেখানে গিয়ে ১৬টা ফাইল ডাউনলোড করে রেখে এসেছে। আর কিছু সংবাদমাধ্যমে বলা হল, আমি নাকি পালিয়ে গিয়েছি। আরে আমার আমার পদবী মাল্য বা চোকসি নয়, আমার পদবী বন্দ্যোপাধ্যায়, আমি পালানোর লোক নই!”








