নজরবন্দি ব্যুরোঃ আমি সব সময় সত্যি বলতে পছন্দ করি। কলকাতা হাইকোর্টের ১ শতাংশ কিভাবে কেন্দ্রের সঙ্গে কয়েকজনকে নিরাপত্তা দেওয়ার কাজ করছে গতকাল আমি সেটাই বলতে চেয়েছিলাম। মানুষ দেখছে। তাঁরা জানে কে আসলে লাল সতর্কতা পার করছে। এবার রাজ্যপালকে পাল্টা কটাক্ষ তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ Bimal Gurung: গুরুং সাক্ষাতে জন-রাজু, অনশন তুলে নেওয়ার আর্জি



উল্লেখ্য, গতকাল হলদিয়ার একটি জনসভা থেকে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিচারব্যবস্থার বিরুদ্ধে সরব হন। তিনি বলেন, আমার বলতে লজ্জা লাগে। কিন্তু বিচারব্যবস্থায় এক শতাংশ এমন আছেন, তল্পি বাহকের কাজ করছেন। কিছু হলেই সিবিআই দিয়ে দিচ্ছেন। আপনার যদি মনে হয়, এই সত্যি কথা বলার জন্য ব্যবস্থা নেবেন, ক্যামেরার সামনে দু’হাজার বার এই কথা বলব। অভিষেক আরও বলেন, খুনের মামলার তদন্ত আটকে দিচ্ছে। শুনেছেন কোনও দিন! আদালত চাইলে নিরাপত্তা দিতে পারে। আদালতের অধিকার আছে। কিন্তু খুনের মামলার তদন্ত স্থগিত করে দিতে পারেন না আপনি।
I’ve always believed in SPEAKING THE TRUTH TO POWER.
Yesterday, I said how 1% in Kolkata HC is working in cohorts with Centre in protecting some individuals.
Related Newsভোটের কড়াকড়ি শিথিল, আজ খুলল মদের দোকান, ফের বন্ধ কবে? জানুনকালবৈশাখীর দাপট বাড়ছে, দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতাPEOPLE ARE WATCHING, they know who is actually 'CROSSING THE RED LINE'.
I rest my case here!https://t.co/YLdOu4IvLt
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) May 29, 2022
রবিবার সকালে শিলিগুড়িতে নেমে অভিষেকের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি বলেন, প্রকাশ্য জনসভা থেকে এক জন সাংসদ এক জন বিচারপতিকে আক্রমণ করেছেন। এসএসসি দুর্নীতি মামলায় যে বিচারপতি সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তাঁকে আক্রমণ করা হয়েছে। সাংসদের এ হেন মন্তব্য নিন্দনীয়। আমি বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। সাংসদ হিসেবে নিজের সীমা অতিক্রম করেছেন উনি। পাশপাশি রাজ্যের মুখ্যসচিব এইচ কে দ্বিবেদীকে পদক্ষেপ নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন রাজ্যপাল। রাজ্যপালের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ট্যুইট করলেন অভিষেক।
আমি সব সময় সত্যি বলতে পছন্দ করি, সীমা যুদ্ধে অভিষেক-ধনকড়

সম্প্রতি রাজ্য বনাম রাজ্যপালের সংঘাত চরমে পৌঁছে গেছে। রাজ্যপালকে আচার্য পদ থেকে সরিয়ে সেই পদে মুখ্যমন্ত্রীকে বসানোর পরিকল্পনা রাজ্যের। সেইসঙ্গে বেসরকারি কলেজের ভিজিটর পদ থেকে রাজ্যপাল সরানোর পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্য সরকারের। এবকার শাসক দলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ডের সঙ্গে সীমা যুদ্ধ শুরু হয়েছে রাজ্যপালের। যা ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে পারদ চড়িয়েছে। আগামী দিনে কোথার জল কোথায় গড়ায় সেটাই এখন দেখার।









