নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতির মাঝেই রাজ্যের চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সুখবর। সোমবার রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের প্রায় তিন হাজার শূন্য পদে কর্মী নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে রাজ্যের মন্ত্রী সভা। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর পৌরহিত্যে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই নতুন কর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করলে জিভ টেনে ছিঁড়ে নেব, হুঁশিয়ারি বিধায়কের


খুব তাড়াতাড়ি নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু হবে বলেও খবর। ওই সব নিয়োগ-প্রস্তাবের অধিকাংশই মাদ্রাসা শিক্ষকের পদে। বাকিগুলি অন্যান্য দফতরে। জানা গিয়েছে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে ১৭২৯ জন সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মাদ্রাসা শিক্ষক ছাড়াও ৭২৮ জন গ্রন্থাগারিক নিয়োগের প্রস্তাবে এ দিন সিলমোহর দিয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভা। এই নিয়োগের ব্যাপারে জেলা প্রশাসনগুলিতে একটি করে কমিটি গড়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ার একলব্য মডেল স্কুলের বিভিন্ন পদে ৭৪ জনকে নিয়োগ করা হবে। ঝাড়গ্রামে মাওবাদীদের হাতে আক্রান্ত পরিবারগুলির ২২ জনকে হোমগার্ড এবং দু’জন প্রাক্তন কেএলও সদস্যকেও হোমগার্ডের পদে চাকরি দেওয়ার ছাড়পত্র মিলেছে এ দিন।



কৃষি দফতরে ১২২টি নতুন পদ সৃষ্টি করবে রাজ্য। কালিম্পং এবং ঝাড়গ্রামে সমবায় দফতরের বিভিন্ন পদে ৪৪ জনকে নিয়োগ করার কথা। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পঞ্চায়েত ভোটের আগে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে রাজ্য সরকার এমনিতেই প্রবল অস্বস্তিতে রয়েছে।
শিক্ষক দুর্নীতির মাঝেই বড় খবর, তিন হাজার নিয়োগ হতে চলেছে শিক্ষা ক্ষেত্রে

তার উপরে বহু পদ দীর্ঘ কাল শূন্যে। আবার সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফলাফল গিয়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। এই অবস্থায় মন্ত্রিসভার এ দিনের নিয়োগ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।







