নজরবন্দি ব্যুরোঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অতীতের ইতিহাস নিয়ে লেখা দীপক ঘোষের বই নিয়ে বিরাট চর্চা শুরু হয়েছে। বিতর্কের মধ্যে নতুন নাম জড়িয়েছে কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচির। কংগ্রেস নেতাকে গ্রেফতারের আরও চড়েছে রাজনৈতিক পারদ। বেড়েছে শাসক বিরোধী তরজাও। সোমবার সেই বিতর্কের অবসান হল না। বরং বিরোধীদের উদ্দেশ্যে চড়া সুরে হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল বিধায়ক ইদ্রিস আলি। তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করলে জিভ টেনে ছিঁড়ে নেব।
আরও পড়ুনঃ Gurung-Swami Meeting: পাহাড় নিয়ে স্বামী-গুরুংয়ের বৈঠক, ঘনীভূত হচ্ছে একাধিক প্রশ্ন


সোমবার বিধানসভায় তৃণমূল বিধায়ককে দীপক ঘোষের বই সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়। জবাবে ইদ্রিস বলেন, কেউ যদি ভাবে বই লিখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করবে তাহলে তার জিভটা ছিঁড়ে নেব। হাত পা গুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনপ্রিয়তা অদ্বিতীয়া। তাঁর মতো জনপ্রিয়তা আর কারও নেই। বিরোধীরা কি সেটা বুঝতে পারছে না? ওদের কে আছে? ওই জামা খোলা অধীর আর গরুর দুধে সোনা খোঁজা দিলীপ ঘোষ!

ঘটনার সূত্রপাত গত বৃহস্পতিবার দিন। সাগরদিঘি উপনির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী সম্পর্কে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিতে ময়দানে নামেন কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচি। প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক দীপক ঘোষের লেখা একটি বই নিয়ে বেশ কিছু মন্তব্য করেন তিনি।
এরপর শনিবার রাত আড়াইটে নাগাদ ব্যারাকপুরে কৌস্তভের বাড়িতে উপস্থিত পুলিশ। সকালে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। যদিও ওই দিনেই ব্যাঙ্কশাল আদালতে জামিন হয় কৌস্তভের। আদালতে মুক্তি পেয়েই কৌস্তভ প্রতিশ্রুতি নেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গদিচ্যুত না করা অবধি মাথার চুল রাখবেন না। সব মিলিয়ে সেই ঘটনার রেশ এখনও রয়েছে বঙ্গজুড়ে।


মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করলে জিভ টেনে ছিঁড়ে নেব, নিদান দিলেন বিধায়ক

বিরোধীদের অবশ্য কটাক্ষ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে কৌস্তভকে। মুখ্যমন্ত্রী রাজনৈতিকভাবে এর মোকাবিলা না করতে পেরে পুলিশকে ব্যবহার করেছেন। একইসঙ্গে তাঁদের বক্তব্য, লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁর সম্পর্কে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ক্ষমা চাওয়া উচিত।







