নজরবন্দি ব্যুরোঃ উচ্চশিক্ষায় এবং সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়াদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণ এখন থেকে বৈধ। সোমবার এমনটাই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। দরিদ্রদের জন্য এই সিদ্ধান্ত বৈধ, এমনটাই মনে করেছেন সুপ্রিম সাংগঠনিক বেঞ্চের ৪ জন বিচারপতি। তাঁদের পর্যবেক্ষণ, অর্থনৈতিক মানদণ্ডের বিচারে নয়, এমনটাও জানিয়েছেন বিচারপতিরা।
আরও পড়ুনঃ Dilip Ghosh: রাজ্যজুড়ে জঙ্গিদের ঘাঁটি, এবার তোপ দাগলেন দিলীপ
২০১৯ সালের নির্বাচনের আগে এই নীতি আনতে চেয়েছিল কেন্দ্র সরকার। ওই বছরেই মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান এবং ছত্তিসগড়ের নির্বাচনের পরেই এটা মোদি সরকারের বিরাট পদক্ষেপ হিসাবে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয় সুপ্রিম কোর্টে। প্রধান বিচারপতি ইউইউ ললিতের অবসরের আগে আরও এক ঐতিহাসিক রায়দান করল সুপ্রিম কোর্ট।

এদিন আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, পিছিয়ে পড়াদের ক্ষমতায়নের আসল মাধ্যম হল সংরক্ষণের ব্যবস্থা। দরিদ্রদের জন্য সঙ্গরক্ষণের ব্যবস্থা করা হলে তা মূল সংবিধানকে আঘাত করে না বলেও জানিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়াদের যেভাবে সংরক্ষণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে তাতে ৫০ শতাংশের বেশি পদ সংরক্ষিত হবে না। সুতরাং এতে অসুবিধা কিছু নেই।
আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়াদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণ, বিরাট জয় কেন্দ্রের

এদিন সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির সাংগঠনিক বেঞ্চের ৪ জন এর পক্ষে রায়দান করেন। এর মধ্যে বিচারপতি রবীন্দ্র ভাট এর বিপক্ষে মত প্রকাশ করেন। যদিও মামলা দায়েরের সময় বিরোধী দলগুলি সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা জানায়নি। কিন্তু দরিদ্রদের সংরক্ষণের বিরুদ্ধে তামিলনাড়ু সরকার সহ ৪০ টি মামলা দায়ের হয় সুপ্রিম কোর্টে। সাড়ে ছয় দিন ধরে শুনানির পর মামলায় রায়দান হল। এটা কেন্দ্রের সরকারের জন্য বিরাট জয় বলেই মনে করা হচ্ছে।



