নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যে ফের জঙ্গি যোগের সন্দেহে দক্ষিণ ২৪ পরগণা থেকে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার গ্রেফতারের পর ওই যুবককে ১৪ দিনের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। এবার তা নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, রাজ্যজুড়ে জঙ্গিদের ঘাঁটি। কোনও ব্যবস্থা নেয় না পুলিশ।
এদিন মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, রাজ্যের সর্বত্র জঙ্গিদের ঘাঁটি। এর সঙ্গে রাজনীতি যুক্ত। পুলিশ জানে কিন্তু ব্যবস্থা নেয়না। সরকারি সহানুভূতি আছে তাদের সঙ্গে। জাল বিস্তার চলছে। ইন্টালিজেন্স রিপোর্ট আছে। রাজ্য বারুদের স্তূপে বসে আছ। সি এ এ, এন আর সির প্রয়োজন। আগে সি এ এ দরকার। তাই রাজ্য বিরোধিতা করছে। কারণ এরাই ভোট করায়।

দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, মথুরাপুরে এমন জঙ্গির সন্ধান পাওয়া গেছে, যে দিনের পর দিন অনেকের ব্রেন ওয়াশ করেছে। পশ্চিমবাংলার উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, হাওড়া ,মালদা উত্তরবঙ্গের আরও দুই একটা জেলা, নদিয়া মুর্শিদাবাদ এগুলো জঙ্গিদের ঘাঁটি হয়ে গিয়েছে। পুলিশ জানে, কিন্তু পুলিশ হাত দেবে না। কারণ এর সঙ্গে রাজনীতি যুক্ত। সরকার জানে ভোটের ব্যাপার আছে, সেই জন্য সারা ভারতবর্ষ থেকে সমস্ত জঙ্গি মডিউল চলে এসেছে এখানে।
একইসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম অনুব্রত মণ্ডলকে বাঘ বলে অভিহিত করায় বিজেপি সাংসদ বলেন, জানি না বাঘ কবে ফিরে আসবে। তবে শিয়াল যারা আছে, তারাই যথেষ্ট বীরভূমকে রক্তাক্ত করার জন্য। উনি দেখতে গিয়েছিলেন পঞ্চায়েত হলে আমরা জিততে পারবো কি না, জেতানোর লোক আছে কি না। যেটা দিদি বলেছিলেন, অনেক অনুব্রত তৈরি করে ফেলেছি, তার নমুনা উনি বীরভূমে দেখে এসেছেন।
রাজ্যজুড়ে জঙ্গিদের ঘাঁটি, ফের আক্রমণে দিলীপ

একইসঙ্গে আজ টেট চাকরি প্রার্থীদের আন্দোলন সরিয়ে দেওয়ার জন্য জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে। এপ্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, সরকারের চোখের বালিতে পরিণত হয়েছে চাকরি প্রার্থীরা। তাঁরা রাস্তার এক পাশে বসে আন্দোলন করছেন তাতেও সমস্যা হচ্ছে রাজ্য সরকারের। রাস্তা আটকে, মিটিং-মিছিল করে তাঁরা আন্দোলন করছেন না।



