নজরবন্দি ব্যুরোঃ বর্ধমানে বিষ মদে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ল। গত রাতে বর্ধমান মেডিক্যালে মৃত্যু হয় ২ জনের। মৃতদের পরিবারের দাবি, স্থানীয় হোটেল থেকে মদ খাওয়ার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই দু’জন। শনিবার রাতে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাঁদের মৃত্যু হয়। মৃত দু’জনই খাগড়াগড়ের বাসিন্দা। এই বিষ মদের ঘটনায় দু’জনের মৃত্যু হল। এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১০। সব মিলিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য বর্ধমান জুড়ে। অভিযোগ সরকারি মদ খেয়েই মৃত্যু হচ্ছে মানুষের।
আরও পড়ুনঃ ‘কেন্দ্র বানিয়েছে, উদ্বোধন করবে, বেশ করেছে মমতা কে ডাকেনি।’ দিলীপ



বর্ধমানে মদ খেয়ে ১০ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি অসুস্থ বেশ কয়েকজন। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও একাধিক নার্সিংহোমে তাদের চিকিৎসা চলছে। সকলেই মদ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাই বিষ মদের কারণেই মৃত্যু বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান পুলিশের। বিষ মদে মৃতদের পরিবারের অভিযোগ, সরকারি দেশি মদ খেয়েই মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ও আবগারি দপ্তর অভিযুক্ত হোটেল তারা মা-তে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ‘ক্যাপ্টেন’ নামে সরকারি দেশি মদের বোতল উদ্ধার করেছে।



সূত্রের দাবি, খবর যাতে কোনোভাবেই সামনে না আসে তার জন্য বুধবার থেকেই পুরো ঘটনা চেপে রাখা হয়েছিল। বিষ মদের ঘটনা পুলিশ ও প্রশাসনের নজরে থাকলেও তা নিয়ে প্রশাসন শুরুতে মুখ খোলেনি। মদ খেয়ে যাঁরা অসুস্থ হয়েছেন পুলিশ তাঁদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করেছে। এখনও পর্যন্ত বিষ মদ খেয়ে যাঁদের মৃত্যু হয়েছে তার মধ্যে ৮ জনের নাম পাওয়া গিয়েছে।
বর্ধমানে বিষ মদ কান্ডে মৃত্যু বেড়ে ১০, সরকারি মদেই বিষ আছে, বিস্ফোরক সুজন
তৃনমূলের সরকার কোথায় পাশ করল
বলুন তো?
সবেতেই ফেল?
দেশী মদ
সরকারের।
তাতেও বিষ!
ভাবা যায়?শিক্ষা, কাজ, আইন শৃঙ্খলা,
বিষ মদ, জীবনের নিরাপত্তা —
সবেতেই ফেল মমতার সরকার!! pic.twitter.com/mcrl89rvyQ— Dr.Sujan Chakraborty (@Sujan_Speak) July 10, 2022

পুলিশ যে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছে তারা হলেন শেখ হালিম (৪০), শেখ সুভ্রাতি (৩৫০)। এছাড়াও গৌতম দে (৪৫), চিন্ময় দে (৪৩), শঙ্কর দাস, রাজীব ব্যানার্জি, বাপী রাউৎ, শেখ বিকি— বৃহস্পতিবার এঁদের মৃত্যু হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। বেশ কয়েক জনের দেহ ময়নাতদন্ত না করে দাহ করে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। এছাড়া বাহির সর্বমঙ্গলাপাড়া এলাকার শেখ মাখন, শেখ বাদশা ও শেখ আসিক গুরুতর অসুস্থ হয়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বাদশার মা তনুজা বিবি জানিয়েছেন, পুলিশই এঁদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।







