নজরবন্দি ব্যুরো: আসন্ন ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে নিজের এবং দলের উপর যে বাড়তি প্রত্যাশার চাপ রয়েছে, সে কথা স্পষ্ট ভাবে স্বীকার করে নিয়েছেন বিরাট কোহলি। তবে কোহলি সবাইকে মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, খেলোয়াড়রা নিজেরাই বিশ্বকাপ জেতার জন্য সবচেয়ে বেশি মরিয়া হয়ে থাকেন। তাঁদের চেয়ে বেশি উদগ্রীব আর কেউ থাকেন না। তাঁর চোখ এখন শুধুই আসন্ন বিশ্বকাপের দিকে।
আরও পড়ুন: গতবার মানসিক ভাবে দারুণ জায়গায় ছিলাম, সেটা আবার ফিরিয়ে আনতে চাইছি, বলছেন রোহিত


আইসিসি ইভেন্ট না জেতার খরা মেটাতে মরিয়া ‘কিং কোহলি’। এশিয়া কাপ অভিযানে নামার আগে একটি ইভেন্টে সেটা অকপটে জানিয়ে দিলেন বিরাট। তিনি বলেছেন, “প্রতি মুহূর্তে আমার কাছে নতুন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করে থাকে। আমি সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার জন্য মানসিক ভাবে তৈরি থাকি। কারণ এটাই আমার কাজ। প্রতি মুহূর্তের চ্যালেঞ্জকে গ্রহণ করার জন্যই আমার দিকে সবাত নজর রয়েছে। গত ১৫ বছর ধরে এই নীতি নিয়েই খেলছি। এবার আমার লক্ষ্য বিশ্বকাপ জয়। আর লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছি।”
একটি প্রচারমূলক অনুষ্ঠানে গিয়ে কোহলি ভক্তদের প্রত্যাশা সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে সোজাসাপ্টা দাবি করেছেন, “চাপ সব সময়েই থাকে। ভক্তরা সব সময়ে আব্দার করে বিশ্বকাপ জেতার জন্য। তবে আমাদের চেয়ে বেশি ট্রফি জেতার বাসনা আর কারও নেই। সত্যি বলতে কি, আমি জানি প্রত্যাশা আছে এবং মানুষের আবেগও আকাশছোঁয়া। তবে সকলে এটা জেনে রাখুন যে, প্লেয়ারদের চেয়ে কেউ বেশি শিরোপা জেতার জন্য মরিয়া হতে পারে না”।
তাঁর চোখের সামনে থেকে যেমন আইসিসি ট্রফি বেরিয়ে গিয়েছে, তেমনই আবার কেরিয়ারের শুরু থেকেই বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছেন। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ, ২০১১ সালে একদিনের বিশ্বকাপ জিতেছেন। বিরাট শেষে বলেন, “তখন আমার ২৩ বছর বয়স। বিশ্বকাপের মাহাত্ম্য কতটা সেটা বুঝতে সময় লেগেছে। এখন আমি ৩৪, অনেকগুলো বিশ্বকাপে খেলে ফেললেও জিততে পারিনি।


ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ, চাপ কতটা? অকপট বিরাট
তাই সেই দলের বিশ্বকাপ জয়ের অনুভূতি কেমন ছিল সেটা জানি। সবচেয়ে বেশি ভাল লাগে সচিন তেন্ডুলকরের জন্য। কারণ ওর শেষ বিশ্বকাপ ছিল। তার আগে অনেক বিশ্বকাপে খেলেও ট্রফি হাতে তুলতে পারেনি। কিন্তু মুম্বইয়ে ওর নিজের শহরে বিশ্বকাপ জেতা, ব্যাপারটাই অন্য রকম। স্বপ্নের মতো।”







