নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতি মামলায় কোটি কোটি টাকা লুঠ হয়েছে। মরিয়া হয়ে তদন্ত করছে ইডি। ইতিমধ্যেই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করা হয়েছে। সংশোধনাগারে অনবরত জেরা চলছে তাঁদের। এই দুর্নীতির শিকড় কতদূর ছড়িয়েছে তাই খতিয়ে দেখতে চায় কেন্দ্রীয় সংস্থা।
আরও পড়ুনঃ কোনও মন্তব্য করব না, আট ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর জানালেন মন্ত্রী মলয়


তদন্তে নেমে রীতিমতো অবাক ইডির আধিকারিকরা। কোটি কোটি টাকা সোনার গয়না থেকে শুরু করে বিভিন্ন সম্পত্তির দলিল উদ্ধার করেছেন ইডি-র কর্তারা। আর এই সব যার বাড়িথেকে পাওয়া গিয়েছে সে পার্থ বাবুর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা। আর এই অর্পিতাকে জেরা করে ইডি আধিকারিকরা জানতে চেষ্টা করছেন এই দুর্নীতির জাল কতদূর বিস্তৃত।

ইডি সূত্রে খবর, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিভিন্ন সংস্থার ডিরেক্টর হিসেবে নাম ব্যবহার করা হয়েছে দিন-আনা-দিন খাওয়া মানুষের। তাঁদের কেউ দিনমজুর, কেউ বা রিক্সাচালক এবং প্রত্যেকেই হতদরিদ্র আর অল্পশিক্ষিত। নিজের বিধানসভা কেন্দ্র বেহালা পশ্চিমের এমন বহু দরিদ্র মানুষকে নিজের বিভিন্ন ভুয়ো সংস্থার ডিরেক্টর করেছিলেন পার্থ।



এমন বহু মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন ইডির তদন্তকারীরা। ইডি অফিসারদের দাবি, ওই সব দিনমজুর ও হতদরিদ্র মানুষের দাবি, তাঁরা যে কোনও সংস্থার ডিরেক্টর, তা তাঁদের জানা নেই। ওই সব পদের অধিকারী হিসাবে তাঁরা কখনও কোনও টাকাও পাননি। শুধু কোনও এক সময়ে তাঁদের দিয়ে এক ধরনের কাগজে টিপসই করিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

রিক্সাচালক থেকে দিনমজুর, পার্থর কোম্পানির ডিরেক্টর পদে এনারা! তথ্য ফাঁস করলেন অর্পিতা
তাঁদের মধ্যে কয়েক জন রিকশাওয়ালাও রয়েছেন। ই ডি তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে চাকরি বিক্রির কালো টাকা প্রায় ২০১টি ভুয়ো সংস্থায় বিনিয়োগ করে করে সাদা করা হয়েছিল। আর এইসব তথ্য জানা গিয়েছে জেল বন্দি অর্পিতাকে জেরা করার পরেই।







