করোনা ঠেকাতে খুব শিগগিরি ভ্যাকসিন। জানালেন হর্ষ বর্ধন।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনা ঠেকাতে খুব শিগগিরি ভ্যাকসিন। আজ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী হর্ষ বর্ধন জানান, “নিশ্চিত যে আগামী তিন-চার মাসের মধ্যে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রস্তুত হবে।” তিনি আরও বলেছেন যে বৈজ্ঞানিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে ১৩৫ কোটি ভারতীয়কে একই ভ্যাকসিন দেওয়ার বিষয়টি অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। একটি ওয়েবিনারে ভাষণ দিতে গিয়ে আজ স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি আত্মবিশ্বাসী যে করোনা ভ্যাকসিন আগামী তিন-চার মাসে প্রস্তুত হয়ে যাবে।

আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রকেও গড়তে হবে পৃথক সমবায় মন্ত্রক, দাবী শুভেন্দুর

ভ্যাকসিনের অগ্রাধিকার বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হবে। স্বাস্থ্যসেবা কর্মী এবং করোনার যোদ্ধাদের স্বাভাবিকভাবে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, তারপরে বয়স্ক এবং রোগ-প্রবণ ব্যক্তিরা পাবেন। ভ্যাকসিন প্রচারের জন্য খুব বিস্তারিত পরিকল্পনা চলছে। ই-ভ্যাকসিন ইন্টিলিজেন্স প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে। আশা করি, আমাদের সবার জন্য ২০২১ সেরা বছর হওয়া উচিত।”

হর্ষ বর্ধনের একথা জানার পর থেকে সাধারণ মানুষের মনে কিছুটা হলেও স্বস্তি জাগিয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের করোনা মোকাবিলার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, গত কয়েকমাসে মহামারী বিরোধী লড়াইয়ের জন্য কয়েকটি অত্যন্ত সাহসী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। জনতা কারফিউ আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি অত্যন্ত উদ্ভাবনী এবং অনন্য পরীক্ষা ছিল। এটিতে নাগরিকদের দেশব্যাপী অংশগ্রহণ ছিল। লকডাউনের পর আনলক খুবই সাহসী সিদ্ধান্ত ছিল।

করোনা ঠেকাতে খুব শিগগিরি ভ্যাকসিন। আমরা পরিস্থিতি ভালোভাবে মোকাবিলা করেছি।” কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও বলেন, “এই লড়াইয়ে সরকার বেশ তত্‍পর ছিল। বিমানবন্দর, সমুদ্র বন্দর এবং স্থল সীমান্তগুলি সময়মতো কড়াকড়ি করা হয়েছিল। স্বল্প সময়ের মধ্যে প্যাথোজেনের প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করতে পারা দেশগুলির মধ্যে ভারত উপরের দিকেই রয়েছে। আরও একবার মনে করিয়ে দিয়ে হর্ষ বর্ধন বলেন,

“আপনি খুব সহজেই মারণভাইরাস থেকে নিজেকে সুরক্ষিত করতে পারবেন। মাস্ক পরুন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলুন এবং সবসময় নিজেকে জীবানুমুক্ত রাখতে স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।” উল্লেখ্য, অতিমারী প্রকোপে দিল্লিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ছাড়িয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দ্রুত হারে বাড়তে শুরু করেছে সংক্রমণ। বুধবার একদিনে ১৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনা আক্রান্ত হয়েছে। যা রাজধানীর পরিসংখ্যানের হিসেবে একদিনে সর্বাধিক মৃত্যু।

গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তও হয়েছেন প্রায় সাড়ে সাত হাজার। এই বাড়তে থাকা করোনা প্রকোপ স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে প্রশাসনের। আজই এক আপকালীন বৈঠকের ডাক দিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। জানা গিয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে হাসপাতালগুলিতে নতুন করে ৬০০টি আইসিইউ বেড লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লি সরকার।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত