কম নাম্বার প্রাপ্তদের চাকরি, বেশি নাম্বার পেয়েও বঞ্চিত ৪২০০ আপার চাকরিপ্রার্থী!

বিজ্ঞাপন
নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: কম নাম্বার প্রাপ্তদের চাকরি, বেশি নাম্বার পেয়েও বঞ্চিত ৪২০০ আপার চাকরিপ্রার্থী! উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় ২০১৪ সালে। পরীক্ষা হয় ২০১৫ সালে এবং ফল প্রকাশিত হয় ২০১৬ সালে।এরপর ২০১৯ সালে ভেরিফিকেশন ও ইন্টারভিউ নেওয়া হয় সেখানে দেখা যায় অনেক অপ্রশিক্ষনরত এবং কম নম্বর পাওয়া প্রার্থীরা ডাক পেয়েছে। এরই ভিত্তিতে বঞ্চিত যোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা হাইকোর্টে কেস করে। এরপর বেশ কয়েকজন কেস পিটিশনের ভেরিফিকেশন ডাক পায়।কিন্তু এখনও প্রায় ৪২০০ জন কেস পিটিশনের অর্থাৎ রিট পিটিশনের ভেরিফিকেশন ও ইন্টারভিউ হয়নি।

অর পড়ুনঃ গা ঘেঁষাঘষি করে থাকলে করোনা পালিয়ে যাবে! মন্তব্য তৃণমূল নেতার।

কম নাম্বার প্রাপ্তদের চাকরি এবং বেশি নাম্বার পেয়েও বঞ্চিত এই ইস্যুতে কমিশন কে কলকাতা হাইকোর্ট ২০১৯ সালে প্রভিশনাল মেরিট লিস্ট বের করার রায় দিয়েছিল এবং ঐ মেরিট লিস্ট র উপর কারোর কোনো অভিযোগ থাকলে কমিশনে জমা করার কথা বলাহয় বলে দাবি চাকরিপ্রার্থীদের। চাকরিপ্রার্থীরা জানিয়েছেন নির্দেশ মতো অভিযোগ জমা দেয় প্রায় ১২০০০ প্রার্থী! এই অভিযোগ মূলত ছিল নিম্নলিখিত বিষয়গুলির উপর
১/অনেক অপ্রশিক্ষণরত প্রার্থীর মেরিট লিস্ট এ অন্তর্ভুক্তি ।
২/যারা এখনো ভেরিফিকেশন এবং ইন্টারভিউ এ ডাক পায়নি তাদের তুলনায় কম স্কোর প্রাপ্য প্রার্থী মেরিট লিস্ট এ অন্তর্ভুক্তি।
৩/মেরিট লিস্ট প্রার্থীদের টেট ওয়েইটেজ নিয়ম বহির্ভূত বৃদ্ধি।
৪/রেশিও মেইনটেইন না করা।
৫/ গেজেট না মানা।

প্রভিশনাল মেরিট লিস্ট বের করার সময় কোর্ট থেকে রায় দিয়েছিল যে এই রিট পিটিশন দের অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে তাদের ভেরিফিকেশন এবং ইন্টারভিউ করা হবে। আর এই সমস্ত কেস অর্থাৎ অভিযোগ র নিষ্পত্তি কোর্ট করলেই নিয়োগ সম্ভব হবে।
কিন্তু চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ কমিশনে অভিযোগ এবং কোর্ট এ কেস! সেইগুলোর কোনো নিষ্পত্তি এখন পর্যন্ত হয়নি। অভিযোগ মোট বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যা প্রায় ৪ হাজার ২০০!

এদিকে বেশ কয়েক বছর ধরে আইনি জটে আটকে উচ্চ প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া। শেষ পাওয়া হিসাব অনুসারে প্রায় ১৪ হাজারের কাছাকাছি শূন্য পদ রয়েছে উচ্চ প্রাথমিকে। সম্প্রতি আইনি জটের দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টের কাছে আবেদন করেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন।আদালতের নির্দেশে গত বছরের পুজোর ঠিক আগেই কমিশন উচ্চ প্রাথমিকের মেধা তালিকা প্রকাশ করে। কিন্তু সেই মেধাতালিকায় গরমিলের অভিযোগ নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় পরীক্ষার্থীদের বড় অংশ। পুজোর পরেই আদালত উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়াতে স্থগিতাদেশ দেওয়ায় পুরো শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াই আটকে যায়।

কিছু মাস আগে সেই আইনি প্রক্রিয়ায় ত্বরান্বিত করতে আসরে নামে স্কুল শিক্ষা দফতরও। অপরদিকে বেশ কয়েকবছর ধরে বিতর্ক চলার পরে নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশের নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেছে কমিশন। কিন্তু উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে না পারায় নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে পারছে না এসএসসি। এর ফলে রাজ্যের স্কুল গুলিতে শিক্ষকের অভাব থাকলেও নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারছে না কমিশন।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

Arka Sana

Arka Sana

Founder & Editor, Najarbandi
16+ Years Experience • Political Reporting • Investigative Journalism • Digital Publishing

অর্ক সানা একজন সাংবাদিক, সম্পাদক, মিডিয়া উদ্যোক্তা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক। অপরাধ সাংবাদিকতা, রাজনৈতিক রিপোর্টিং, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এবং ডিজিটাল নিউজ প্রকাশনায় তাঁর ১৬ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি নজরবন্দি-র প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক।

View Full Author Profile →

বিজ্ঞাপন

আরও খবর