নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিম্নমানের রেফারিং, দ্বিতীয় পর্বের আইএসএল থেকে বাদ জোড়া রেফারি। টুর্নামেন্ট শুরুর প্রথম দিন থেকেই খারাপ রেফারিং এর অভিযোগে বিদ্ধ দেশের ফ্রাঞ্জাইজি ফুটবল টুর্নামেন্ট আইএসএল। অত্যান্ত নিম্নমানের রেফারিং প্রভাব ফেলছে টুর্নামেন্টের মানের উপর। একাধিক ক্লাব বারবার রেফারিং নিয়ে আওয়াজ উঠিয়েছে। আর বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে অবশেষে নড়েচড়ে বসল অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন(এআইএফএফ)। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় পর্ব থেকে ছেঁটে ফেলা হল দুই রেফারিকে। বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথম এই দুই রেফারি শাস্তির মুখে পড়ল।
আরও পড়ুনঃ বিশ্রী অপরাধের পরও ক্ষমা চাননি কঙ্কনা। অবশেষে আদালতে গেলেন কৃষক আন্দোলনের বৃদ্ধা।


এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের পরই খারাপ রেফারিং নিয়ে ফেডারেশনের কাছে প্রথম লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। তবে ওই ম্যাচের রেফারি এই দুজনের মধ্যে নেই। শুধুমাত্র ইস্টবেঙ্গল নয়, কলকাতার আরও এক প্রধান এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসও খুশি নন রেফারিং নিয়ে। রেফারিং নিয়ে অসন্তোষ দেখা গিয়েছে এফসি গোয়া, জামশেদপুর এফসি শিবিরেও। প্রকাশ্যে এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন জামশেদপুর কোচ ওয়েন কোয়েল, এফসি গোয়া কোচ হুয়ান ফেরান্দো। এগারো দলের আইএসএল যুদ্ধের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হতে চলেছে আগামী শনিবার থেকে।
দ্বিতীয় পর্বে রেফারি পাওয়া নিয়ে সমস্যা হতে পারে। কারন প্রথম পর্বের ৫০ ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন ১৩ রেফারি। তার মধ্যে একটি ম্যাচ পরিচালনা করেই চোটের কবলে পড়েন আর ভেঙ্কটেশ। বায়ো বাবলের বাইরে চলে যান তিনি। এবার তাঁর সঙ্গে যুক্ত হলেনআরও দুই রেফারি। এই দুই রেফারির মধ্যে একজন আবার একধিক ম্যাচ পরিচালনা করলেও একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই রেফারি সম্পর্কে এআইএফএফ সূত্রের দাবী, “ফাউল বোঝার ক্ষেত্রে অনেক সমস্যা হচ্ছিল তাঁর। এরপর তাঁকে কিছুটা অব্যহতি দেওয়াহলেও সমস্যার সমাধান হয়নি।”
শাস্তির কবলে পড়া আরেক রেফারি নিয়ে আরও অসন্তুষ্ট সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। তাঁরশরীরী ভাষা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। সূত্রের দাবী, “কিছু ক্ষেত্রে ফুটবলারদের সঙ্গে তিনি যেরকম ব্যবহার করেছেন তা মানা যায় না।” এআইএফএফ সচিব কুশল দাস এপ্রসঙ্গে জানান, “রেফারি অ্যাসেসরের রিপোর্টের ভিত্তিতেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কোনও রেফারি যদি অ্যাসেসরের রিপোর্ট অনুযায়ীখুব ভুল কোনও সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন, তবে তাঁকে কিছুদিন বাইরে রাখা হয়।”


নিম্নমানের রেফারিং, দ্বিতীয় পর্বের আইএসএল থেকে বাদ জোড়া রেফারি। আই লিগ শুরু হওয়ায় নতুন করে রেফারি পাওয়া নিয়ে সমস্যা হতে পারে জেনেই রেফারিদের পাশে দাঁড়িয়ে কুশল দাস বলেন, “এটা একটা বড় সমস্যা। তবে রেফারিরা আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। বায়ো বাবলের মধ্যে থেকে তাঁদের পরপর ম্যাচ খেলাতে হচ্ছে।ফলে, রিকভারির সময় পাচ্ছেন না তাঁরা।” দুই রেফারি শাস্তির মুখে পড়ার পর এবার দ্বিতীয় পর্বে খেলা পরিচালনার মধ্যে উন্নতি দেখা যায় কিনা সেদিকেই তাকিয়ে সবাই।







