নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিশ্রী অপরাধের পরও ক্ষমা চাননি কঙ্কনা। অবশেষে আদালতে গেলেন কৃষক আন্দোলনের বৃদ্ধা। বছর বদলালেও পরিস্থিতি বদলাচ্ছে না। পুরনো বছরের মতোই বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না কঙ্কনা রানাউতের। গতকালই বান্দ্রা মেট্রোপলিটন কোর্টের নির্দেশ মেনে থানায় গিয়ে স্টেটমেন্ট রেকর্ড করিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায় হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে।তারপর আজ আবার অভিযোগ উঠেছে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন পাঞ্জাবের মহিন্দর কৌর। মহিন্দরকেই ‘শাহিনবাগের দাদি’ বিলকিস বানো বলে ভুল করেছিলেন কঙ্কনা। প্রবল বিতর্ক থেকে মুছেও দিয়েছিলেন টুইট।
সোশ্যাল মিডিয়া থেকে টুইট মুছে গেলেও বিতর্ক থেমে যায়নি অভিনেত্রীর জীবন থেকে। টুইটকে কেন্দ্র করেই পাঞ্জাবের এক আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মহিন্দর। কঙ্কনার বিরুদ্ধে ৪৯৯ এবং ৫০০ ধারায় মান হানির মামলা দায়ের করেছেন তিনি। আগামী ১১ জানুয়ারিতে দিন পড়েছে শুনানির।
দিল্লির রাজপথে দীর্ঘকাল ধরে আন্দলনে বসেছেন দেশের হাজার হাজার কৃষক। তাঁদের সমর্থনে নেমেছেন হাজার হাজার সাধারণ মানুষ, তারকা। তারই মাঝে হঠাত টুইট করে বসেন কঙ্কনা। কৃষক আন্দলনে যোগ দেওয়া মহিন্দরকে বিল্কিস বানর সাথে গুলিয়ে তিনি টুইট করেন ‘হা হা ইনিই তো সেই দাদি, যাঁকে টাইমস ম্যাগাজিনের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের তালিকায় রাখা হয়েছিল। এঁকে তো ১০০ টাকার বিনিময়ে পাওয়া যায়।” ব্যাস শুরু হয়ে যায় বিতর্ক। এভানে না জেনে মন্তব্য করায় কড়া সমালোচনার মুখে পড়তে হয় ‘কন্ট্রভার্সি কুইন’ কঙ্কনাকে। টুইট টি মুছে দিলেও মানুষের মধ্যে ততক্ষনে ছড়িয়ে গেছে স্ক্রিনশট। সমালোচনা করেন মিকা সিং, দলজিত দেসাঞ্জ, বিজেন্দ্র সিং এর মত মানুষেরা।
বিশ্রী অপরাধের পরও ক্ষমা চাননি কঙ্কনা। অবশেষে আদালতে গেলেন কৃষক আন্দোলনের বৃদ্ধা। এবার সয়াসরি কঙ্কনার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করে আদালতের দ্বারস্থ হলেন খোদ মহিন্দর। আদালতে বছর ৭৩ এর মহিন্দর কউর জানিয়েছেন ওই একটা টুইট তাঁর মানসিক শান্তি নষ্ট করেছে। প্রবল সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকেও। পাড়া প্রতিবেশির কাছে নষ্ট হয়েছে ভাবমুর্তি। আর এরকম ভুলের পরও তাঁর কাছে ক্ষমা চাননি কঙ্কনা।
আর কঙ্কনার ১০০ তাকার বিনিময়ে তিনি জানিয়েছেন এই বয়সেও গিয়েও তিনি নিজের হাতে ফসল ফলান , ফসল তোলেন, মেয়েদের বিয়ে হয়েছে, ছেলে আছে সংসার নিয়ে সঙ্গে। সেখানে ১০০ টাকা নিয়ে কী করবেন তিনি। এরকম বিশ্রী অপরাধ করেও ক্ষমা চায়নি কঙ্কনা। তাতেই আজ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।



