নজরবন্দি ব্যুরোঃ শুরু বাংলার শ্রেষ্ঠ উৎসব। আজ ‘চেতলা অগ্রণী’র দুর্গা প্রতিমাকে চক্ষুদান মমতার। করোনা আবহে কিছুটা আড়ষ্ঠতা সাথে নিয়েই শুরু হচ্ছে বাংলার শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজা। বাকি আর মাত্র ৯দিন। কিন্তু ৯ দিন বাকি থাকতে আজ থেকেই ঢাকে কাঠি পড়ছে দুর্গোৎসবের। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের হাত ধরেই বঙ্গে শুরু হচ্ছে দুর্গা পুজো। আজ বিকেলে ‘চেতলা অগ্রণী’তে দুর্গা প্রতিমার চক্ষুদান করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ চিনে ৬ জন করোনা আক্রান্ত্র। সতর্কতায় শহরের সব বাসিন্দার টেস্ট মাত্র ৫ দিনে!


আজ ‘চেতলা অগ্রণী’র দুর্গা প্রতিমার চক্ষুদান পর্বের আগে দলীয় মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’র শারদ সংখ্যা-র উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী। আর সেখান থেকেই তিনি চলে যাবেন ‘চেতলা অগ্রণী’র পুজো মন্ডপে। তৃণমূল সূত্রে খবর, ‘জাগো বাংলা’র পুজো সংখ্যার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন দলের প্রথম প্রায় সব নেতা-নেত্রী।
জানা গেছে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুব্রত বক্সি, মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, কলকাতার পুর প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম, ইন্দ্রনীল সেন-সহ এক ঝাঁক নেতা-নেত্রী। সেই অনুষ্ঠান শেষ করেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পৌঁছে যাবেন ফিরহাদ হাকিমের পুজো বলে পরিচিত ‘চেতলা অগ্রণী’র মণ্ডপে। সেখানে মা দুর্গার চক্ষুদান করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।
শুরু বাংলার শ্রেষ্ঠ উৎসব। চলতি বছর দুর্গাপুজোতেমমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অতিরিক্ত সতর্কতা নিতে বলেছেন রাজ্যের সমস্ত পুজো কমিটিকে। সতর্কতাগুলির মধ্যে অন্যতম গুলি হল, ১) প্যান্ডেল খোলামেলা করতে হবে৷ মণ্ডপের চারপাশ খোলা রাখতে হবে৷ চারপাশ ঘেরা থাকলে মণ্ডপের ছাদ খোলা রাখতে হবে যাতে হাওয়া চলাচল করতে পারে। ২) দর্শনার্থীদের এবং মণ্ডপ চত্বরে থাকা প্রত্যেকের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। ৩) মণ্ডপের অনেকটা আগে থেকেই দর্শনার্থীদের স্যানিটাইজার দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।


৪)মণ্ডপের ভিতরে ভিড় এড়াতে প্রবেশ এবং বেরনোর আলাদা পথ রাখতে হবে। ভিড় এড়াতে ব্যারিকেড, দাগ দিয়ে মানুষ দাঁড়ানোর জায়গা চিহ্নিকরণের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। ৫) অঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ এবং সিঁদুরখেলাতেও ভিড় নয়। ছোট ছোট দলে ভাগ করে অঞ্জলির আয়োজন করার অনুরোধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।







