বাংলা ভাষার পক্ষে আজ বেলঘরিয়ায় বাংলাপক্ষ।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাংলা ভাষার পক্ষে আজ বেলঘরিয়ায় বাংলাপক্ষ কিছু দিন আগে কলকাতাবাসী ধর্মতলা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বাঙালির অধিকারের জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষের চাকরি টেন্ডার ইত্যাদি ক্ষেত্রে ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবি তুলেছিল। আজও একই দাবিতে দেখা গেল তাঁদের। তার পার্শ্ববর্তী জেলা উত্তর চব্বিশ পরগনার বেলঘরিয়া অঞ্চল্লে তাঁরা একই দাবি তোলেন । ব্যাংক ও ব্যাংকিং সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবি নিয়ে আগেও বারবার।  আজ তাঁরা  উপস্থিত হন স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার বেলঘরিয়া শাখায়।  ব্যাংকের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল টাকা তোলা -জমা দেওয়ার ফরষা  এটিএম কার্ডের আবেদনপত্র থেকে শুরু করে সমস্ত নথি পত্রেই বহুদিন ধরে বাংলা  ভাষা উপেক্ষিত হয়ে রয়েছে। প্রতিটি ফর্মে রয়েছে হিন্দি এবং ইংরেজি।

আরও পরুনঃ১০০ দিনের প্রকল্পে ফের রেকর্ড, টানা চতুর্থবার শীর্ষে মমতার বাংলা।

এই পরিস্থিতিতে বাংলা পক্ষ উত্তর 24 পরগনা সাংগঠনিক জেলার কামারহাটি  ইউনিট এর তরফ থেকে বেলঘরিয়া শাখার ম্যানেজার কাঞ্চন বসুর হাতে  বাংলা পক্ষ তুলে দেয়  ডেপুটেশন এবং আর বি আই এর গাইডলাইন। প্রসঙ্গত আর বি আই এর গাইডলাইন অনুসারে প্রত্যেকটি ব্যাংকে আঞ্চলিক ভাষা থাকার নিয়ম রয়েছে। কামারহাটি শাখার সম্পাদক সায়ন মিত্রের কথায় এই ব্যাংক খুবই জনবহুল এবং প্রচুর বয়স্ক ও প্রবীণ নাগরিকরা আসেন তাদের নিজেদের পেনশনের টাকা তুলতে বা অন্য কোন কাজে।তারা তাদের নিজের মায়ের ভাষায় পরিষেবার না পেয়ে বাধ্য হয়ে কখনো কখনো অন্য কাউকে দিয়ে ফরম পূরণ করাতে হয়।

বাংলা ভাষার পক্ষে আজ বেলঘরিয়ায় বাংলাপক্ষ। বাংলা ভাষাকে যেভাবে মুছে দেওয়া হচ্ছে তাকে বেআয়িনি  বলে দাবি করেছে বাংলাপক্ষ। শুধু তাই নয় বাংলা ভাষার প্রতি এই আচরণ এবং ধীরে ধীরে নানা জায়গায় তৈরি হওয়া এই বাংলা বিদ্বেষ বাংলা এবং বাঙালির প্রতি এপ্রকার বিদ্বেষ বলে দাবি করেছেন তাঁরা।একজন শিক্ষিত মানুষকে অশিক্ষিত হয়ে যেতে হয় শুধু হিন্দি বা ইংরেজি না জানার জন্য, এই পরিস্থিতি বদলাতে হবে। প্রায় একই কথার সুর উত্তর 24 পরগনা জেলা সহ সম্পাদক পিন্টু রায়ের মুখেও। ব্যাঙ্ক ম্যানেজার কাঞ্চন বসু মহাশয় এ নিয়ে হেডকোয়ার্টার এবং অন্যান্য দপ্তরে জানাবেন এবং সমস্ত ক্ষেত্রে বাংলা প্রতিষ্ঠা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। বাংলা পক্ষের এহেন কার্যকলাপে সাধারণভাবেই হাসি ফুটেছে বেলঘরিয়াবাসীর।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত