নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিলকিস বানো-কাণ্ডে ১১ দোষীর মুক্তির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ সংক্রান্ত মামলায় গুজরাত সরকারকে বৃহস্পতিবার নোটিস দিল সুপ্রিম কোর্ট। ১১ ধর্ষকের মুক্তি নিয়ে গুজরাত সরকারকে জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই মামলায় ১১ দোষীকে যুক্ত করতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আগামী দু’সপ্তাহ পর আবার এই মামলার শুনানি হবে।
আরও পড়ুনঃ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নন, বিকেলে সুবীরেশের ফ্ল্যাটে গেল সিবিআই


গত ২৩ অগস্ট, মঙ্গলবার বিলকিসের ধর্ষকদের মুক্তির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন সিপিআইএমের পলিটব্যুরো সদস্য সুভাষিণী আলি, তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্ররা। মামলাটি উত্থাপন করেন আইনজীবী অপর্ণা ভট্ট। অপর দিকে এই ইস্যু নিয়ে এবার পথে নামলো তৃণমূল কংগ্রেসের মহিলা শাখা। এদিন বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়াম থেকে গান্ধীমূর্তির পাদদেশ পর্যন্ত এই মিছিলে অংশ নেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য,

মন্ত্রী শশী পাঁজা, সাংসদ মালা রায়, সাংসদ অপরূপা পোদ্দার, বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী, বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায়রা। এই মিছিল থেকে বিলকিসকাণ্ডে দোষীদের পুনরায় গরাদের পিছনে পাঠানোর দাবি ওঠে। এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূল নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন,



“যেখানেই অবিজেপি সরকার বিশেষ করে বাংলায় যেভাবে প্রতিহিংসার রাজনীতি কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে ব্যবহার করে নিত্যদিন করা হচ্ছে এর তীব্র প্রতিবাদ করি। একই অভিযোগে অভিযুক্ত অন্যেরা, তাদের গায়ে আঁচড় পড়ছে না। তারা যেহেতু বিজেপির অনুগত তাই। তার বিরুদ্ধেও আজ আমাদের প্রতিবাদ। অভিযোগ যদি এক হয়, একই তো তার পদক্ষেপ হওয়া উচিৎ, তা হয়নি।

বিলকিস বানো-কাণ্ডে এবার রাস্তায় নামলো তৃণমূল মহিলা মোর্চা
একইসঙ্গে বিলকিস বানোর ঘটনা আজও আমাদের লজ্জায় ফেলছে। সিবিআইয়ের কাছে এই মামলা তদন্তের জন্য ছিল। তার পর গুজরাটের কোর্ট থেকে তা বোম্বের কোর্টে স্থানান্তরিত হয়। বোম্বে কোর্ট দণ্ড দেয় এবং এরা দণ্ডিত অপরাধী। সেই ১১ জনকে ছেড়ে দেওয়া হল। আমরাও এর শেষ দেখে ছাড়ব।”







